রাজনীতি
নারাণগঞ্জের ৫ আসনে ৪৭ প্রার্থী প্রতীক পেয়ে ভোটের প্রচারে
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত রণরেখা স্পষ্ট হয়েছে। মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এবারের নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে অনেক হেভিওয়েট নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিন্ন প্রতীক নিয়ে মাঠে সক্রিয়। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারও শুরু হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ এখন উৎসবমুখর। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আসনভিত্তিক ভোটার এবং প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-
নারায়ণগঞ্জ-১:
৪ লাখ ৮ হাজার ৮২৯ জন ভোটারের এই আসনে আছেন ৭ জন প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ দুলাল পেয়েছেন ‘জাহাজ’ প্রতীক। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন ‘ট্রাক’, জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা ‘দাঁড়িপাল্লা’, ইসলামী আন্দোলনের ইমদাদুল্লাহ ‘হাতপাখা’, সিপিবির মনিরুজ্জামান চন্দন ‘কাস্তে’ এবং ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেহান আফজাল ‘আপেল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নারায়ণগঞ্জ-২:
মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮ জন। এখানে ৬ জন প্রার্থী চূড়ান্ত রয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান লড়বেন ‘কলস’ প্রতীক নিয়ে। অন্যাদের মধ্যে জামায়াতের ইলিয়াছ মোল্লা ‘দাঁড়িপাল্লা’, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া ‘ট্রাক’, ইসলামী আন্দোলনের হাবিবুল্লাহ ‘হাতপাখা’ এবং সিপিবির হাফিজুল ইসলাম ‘কাস্তে’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩:
৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬৪ জন ভোটারের এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পেয়েছেন। তবে এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে লড়বেন। আরেক হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিম লড়ছেন ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে। এছাড়াও জামায়াতের ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া ‘দাঁড়িপাল্লা’, ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ্ ‘হাতপাখা’, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী ‘ট্রাক’, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস ‘মাথাল’ এবং এবি পার্টির আরিফুল ইসলাম ‘ঈগল’ প্রতীক পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪:
জেলার সবথেকে বেশি ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯৩ জন ভোটারের এই আসনে প্রার্থীর সংখ্যাও সর্বোচ্চ ১৩ জন। বিএনপি জোটের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমী ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এ আসনেও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ফুটবল’ পেয়েছেন। সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী ‘হাতী’ এবং বিএনপি নেতা শাহ আলম ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লা ‘লাঙ্গল’, ইসলামী আন্দোলনের ইছমাঈল হোসেন কাউছার ‘হাতপাখা’, সিপিবির ইকবাল হোসেন ‘কাস্তে’ এবং গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া ‘ট্রাক’, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন ‘রিককশা’, জাতীয় নাগরিক পার্টির আব্দুল্লাহ আল আমিন শাপলা কলি, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের মো. সুলাইমান দেওয়ান ‘মোটরগাড়ি (কার)’, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সেলিম মাহমুদ ‘মই’ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপির মো. সেলিম আহমেদ একতারা প্রতীক পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫:
৪ লাখ ৮৫ হাজার ২৮৪ জন ভোটারের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ১০ জন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন লড়ছেন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের সিরাজুল মামুন ‘দেওয়াল ঘড়ি’, ইসলামী আন্দোলনের মাছুম বিল্লাহ ‘হাতপাখা’, ইসলামিক ফ্রন্টের বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী ‘চেয়ার’, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম ‘মাথাল’, গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন ‘ট্রাক’, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব ‘মই’, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা ‘ছড়ি’ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মন্টু চন্দ্র ঘোষ ‘কাস্তে’ প্রতীক পেয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই নির্বাচনী এলাকাগুলোতে প্রার্থীদের প্রচার ও গণসংযোগ শুরু হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত রণরেখা স্পষ্ট হয়েছে। মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এবারের নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে অনেক হেভিওয়েট নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিন্ন প্রতীক নিয়ে মাঠে সক্রিয়। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারও শুরু হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ এখন উৎসবমুখর। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আসনভিত্তিক ভোটার এবং প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-
নারায়ণগঞ্জ-১:
৪ লাখ ৮ হাজার ৮২৯ জন ভোটারের এই আসনে আছেন ৭ জন প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ দুলাল পেয়েছেন ‘জাহাজ’ প্রতীক। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন ‘ট্রাক’, জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা ‘দাঁড়িপাল্লা’, ইসলামী আন্দোলনের ইমদাদুল্লাহ ‘হাতপাখা’, সিপিবির মনিরুজ্জামান চন্দন ‘কাস্তে’ এবং ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেহান আফজাল ‘আপেল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নারায়ণগঞ্জ-২:
মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮ জন। এখানে ৬ জন প্রার্থী চূড়ান্ত রয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান লড়বেন ‘কলস’ প্রতীক নিয়ে। অন্যাদের মধ্যে জামায়াতের ইলিয়াছ মোল্লা ‘দাঁড়িপাল্লা’, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া ‘ট্রাক’, ইসলামী আন্দোলনের হাবিবুল্লাহ ‘হাতপাখা’ এবং সিপিবির হাফিজুল ইসলাম ‘কাস্তে’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩:
৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬৪ জন ভোটারের এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পেয়েছেন। তবে এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে লড়বেন। আরেক হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিম লড়ছেন ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে। এছাড়াও জামায়াতের ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া ‘দাঁড়িপাল্লা’, ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ্ ‘হাতপাখা’, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী ‘ট্রাক’, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস ‘মাথাল’ এবং এবি পার্টির আরিফুল ইসলাম ‘ঈগল’ প্রতীক পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪:
জেলার সবথেকে বেশি ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯৩ জন ভোটারের এই আসনে প্রার্থীর সংখ্যাও সর্বোচ্চ ১৩ জন। বিএনপি জোটের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমী ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এ আসনেও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ফুটবল’ পেয়েছেন। সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী ‘হাতী’ এবং বিএনপি নেতা শাহ আলম ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লা ‘লাঙ্গল’, ইসলামী আন্দোলনের ইছমাঈল হোসেন কাউছার ‘হাতপাখা’, সিপিবির ইকবাল হোসেন ‘কাস্তে’ এবং গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া ‘ট্রাক’, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন ‘রিককশা’, জাতীয় নাগরিক পার্টির আব্দুল্লাহ আল আমিন শাপলা কলি, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের মো. সুলাইমান দেওয়ান ‘মোটরগাড়ি (কার)’, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সেলিম মাহমুদ ‘মই’ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপির মো. সেলিম আহমেদ একতারা প্রতীক পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫:
৪ লাখ ৮৫ হাজার ২৮৪ জন ভোটারের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ১০ জন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন লড়ছেন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের সিরাজুল মামুন ‘দেওয়াল ঘড়ি’, ইসলামী আন্দোলনের মাছুম বিল্লাহ ‘হাতপাখা’, ইসলামিক ফ্রন্টের বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী ‘চেয়ার’, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম ‘মাথাল’, গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন ‘ট্রাক’, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব ‘মই’, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা ‘ছড়ি’ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মন্টু চন্দ্র ঘোষ ‘কাস্তে’ প্রতীক পেয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই নির্বাচনী এলাকাগুলোতে প্রার্থীদের প্রচার ও গণসংযোগ শুরু হয়েছে।
লোড হচ্ছে...