জাতীয়
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে আর কীভাবে হবে?
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টনও সম্পন্ন হয়েছে। তবে নতুন সরকারের এই যাত্রালগ্নে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? বর্তমানে বঙ্গভবনের শীর্ষ পদে আসীন মো. সাহাবুদ্দিনের ভাগ্য এবং নতুন কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনী বার্তা নিয়ে চলছে নানামুখী জল্পনা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে তাঁর পদত্যাগের জোরালো দাবি উঠলেও বিএনপি শুরু থেকেই সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে এতে দ্বিমত পোষণ করে আসছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই শপথ নিয়েছেন তারেক রহমানের নতুন সরকার। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ না করলে কিংবা অভিশংসিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন কাউকে এই পদে বসানোর কোনো আইনি সুযোগ নেই।
বাংলাদেশের বিদ্যমান ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত হলেও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী এই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। গণভোটে অনুমোদিত এই সনদে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বলা হয়েছে। যদি এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হয়, তবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বাড়বে। সেক্ষেত্রে নতুন সরকার তাদের পছন্দের কাউকে এই পদে দেখতে চাইবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আইনজীবী ও সংবিধান বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির পদ কীভাবে শূন্য হবে তা সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। যেহেতু নতুন সংসদ গঠিত হয়েছে, তাই সংসদীয় প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা অধিবেশনেই নির্ধারিত হবে। রাষ্ট্রপতির অপসারণ বা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বর্তমান সংসদকে একটি সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক ধাপ পার হতে হবে।
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, রাজনৈতিক সমঝোতা বা ব্যক্তিগত কারণে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা বিএনপির কোনো সিনিয়র নেতার নাম আলোচনায় আসতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সরকারের পরবর্তী নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের ওপর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টনও সম্পন্ন হয়েছে। তবে নতুন সরকারের এই যাত্রালগ্নে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? বর্তমানে বঙ্গভবনের শীর্ষ পদে আসীন মো. সাহাবুদ্দিনের ভাগ্য এবং নতুন কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনী বার্তা নিয়ে চলছে নানামুখী জল্পনা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে তাঁর পদত্যাগের জোরালো দাবি উঠলেও বিএনপি শুরু থেকেই সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে এতে দ্বিমত পোষণ করে আসছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই শপথ নিয়েছেন তারেক রহমানের নতুন সরকার। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ না করলে কিংবা অভিশংসিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন কাউকে এই পদে বসানোর কোনো আইনি সুযোগ নেই।
বাংলাদেশের বিদ্যমান ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত হলেও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী এই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। গণভোটে অনুমোদিত এই সনদে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বলা হয়েছে। যদি এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হয়, তবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বাড়বে। সেক্ষেত্রে নতুন সরকার তাদের পছন্দের কাউকে এই পদে দেখতে চাইবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আইনজীবী ও সংবিধান বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির পদ কীভাবে শূন্য হবে তা সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। যেহেতু নতুন সংসদ গঠিত হয়েছে, তাই সংসদীয় প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা অধিবেশনেই নির্ধারিত হবে। রাষ্ট্রপতির অপসারণ বা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বর্তমান সংসদকে একটি সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক ধাপ পার হতে হবে।
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, রাজনৈতিক সমঝোতা বা ব্যক্তিগত কারণে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা বিএনপির কোনো সিনিয়র নেতার নাম আলোচনায় আসতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সরকারের পরবর্তী নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের ওপর।
লোড হচ্ছে...