আদালত
বস্তাবন্দি লাশ ড্রাম ঢালাই করে গুমের ঘটনায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হেকমত আলীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ ড্রামবন্দি করে সিমেন্ট ঢালাই দিয়ে গুম করার ঘটনায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মূল আসামির ভাইকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম রফিকুল ইসলাম সবুজ (৩০), যিনি রূপগঞ্জের মোল্লাবাড়ি এলাকার ইয়াকুব হোসাইনের ছেলে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন সবুজের ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান (২৬)। নিহত হেকমত আলী রূপগঞ্জের ভুলতা নুর ম্যানশন মার্কেটের 'হাসান এন্টারপ্রাইজ' নামক মোটর পার্টস দোকানের মালিক ছিলেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল তিনি নিখোঁজ হন। ১০ দিন পর তাঁর স্ত্রী রোকসানা বেগম দোকানের কর্মচারী সবুজসহ পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত ও আসামিদের স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হেকমত আলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য লাশটি একটি বস্তায় ভরে ড্রামের ভেতর ঢোকানো হয়। এরপর ড্রামের মুখ সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে বন্ধ করে একটি মাছের খামারে ফেলে দেওয়া হয়। নিখোঁজ হওয়ার তিন মাস পর ওই মাছের খামার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
আদালত এই ঘটনাকে অত্যন্ত বর্বরোচিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত মূল পরিকল্পনাকারী সবুজকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং আলামত গোপনের দায়ে তাঁর ভাইকে কারাদণ্ড দেন। কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ (পিপিএম) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত মামলার অন্য দুই আসামি মামুন মিয়া ও ইয়াকুব মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হেকমত আলীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ ড্রামবন্দি করে সিমেন্ট ঢালাই দিয়ে গুম করার ঘটনায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মূল আসামির ভাইকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম রফিকুল ইসলাম সবুজ (৩০), যিনি রূপগঞ্জের মোল্লাবাড়ি এলাকার ইয়াকুব হোসাইনের ছেলে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন সবুজের ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান (২৬)। নিহত হেকমত আলী রূপগঞ্জের ভুলতা নুর ম্যানশন মার্কেটের 'হাসান এন্টারপ্রাইজ' নামক মোটর পার্টস দোকানের মালিক ছিলেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল তিনি নিখোঁজ হন। ১০ দিন পর তাঁর স্ত্রী রোকসানা বেগম দোকানের কর্মচারী সবুজসহ পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত ও আসামিদের স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হেকমত আলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের জন্য লাশটি একটি বস্তায় ভরে ড্রামের ভেতর ঢোকানো হয়। এরপর ড্রামের মুখ সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে বন্ধ করে একটি মাছের খামারে ফেলে দেওয়া হয়। নিখোঁজ হওয়ার তিন মাস পর ওই মাছের খামার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
আদালত এই ঘটনাকে অত্যন্ত বর্বরোচিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত মূল পরিকল্পনাকারী সবুজকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং আলামত গোপনের দায়ে তাঁর ভাইকে কারাদণ্ড দেন। কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ (পিপিএম) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত মামলার অন্য দুই আসামি মামুন মিয়া ও ইয়াকুব মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
লোড হচ্ছে...