সারা দেশ
গঙ্গাচড়ায় ভারী বর্ষনে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
তলিয়ে গেছে ধান ও বাদামখেত
NewsView
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
ভারী বর্ষনে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ার কারনে ধান, পাট, বাদাম ও ভুট্টা খেত তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতির আশংকা করছেন কৃষকরা।
জানা যায়, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার মুষল ধারে বৃষ্টিপাত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল সমূহ তলিয়ে যায়। ফলে ঐ সব এলাকার উঠতি ফসল বোরো ধান, পাট, বাদাম ও ভুট্টা খেত তলিয়ে গেছে।
সরেজমিনে উপজেলার কিসামত হাবু, গজঘন্টা, জয়দেব, ছালাপাক ও গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। অনেক ধান খেত তলিয়ে রয়েছে। অনেকে তলিয়ে যাওয়ার ভয়ে আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন। কিসামত হাবু গ্রামের কৃষক মোক্তার হোসেন ও রবিউল ইসলাম বলেন, একদিনের বৃষ্টিতে ধান তলিয়ে গেছে। সামনে বৃষ্টি বাড়লে কি হবে এই আতঙ্কে রয়েছি। একই গ্রামের হেদা মিয়া বলেন, কাল শুকানো জমিতে ধান কাটলাম আর আজবে হাঁটু পানিতে।
রংপুর আবহাওয়া বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সহকারি আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজ জানান, এ রকম আবহাওয়া আরো ৪/৫ দিন থাকবে। তবে বৃষ্টি রাতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হোসেন বলেন, ক্ষয়ক্ষতির হিসেব তেমন নেই। তবে কিছু বাদাম ও ভুট্টার খেত তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া ভাল হলে পানি নেমে যাবে।
ভারী বর্ষনে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ার কারনে ধান, পাট, বাদাম ও ভুট্টা খেত তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতির আশংকা করছেন কৃষকরা।
জানা যায়, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার মুষল ধারে বৃষ্টিপাত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল সমূহ তলিয়ে যায়। ফলে ঐ সব এলাকার উঠতি ফসল বোরো ধান, পাট, বাদাম ও ভুট্টা খেত তলিয়ে গেছে।
সরেজমিনে উপজেলার কিসামত হাবু, গজঘন্টা, জয়দেব, ছালাপাক ও গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। অনেক ধান খেত তলিয়ে রয়েছে। অনেকে তলিয়ে যাওয়ার ভয়ে আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন। কিসামত হাবু গ্রামের কৃষক মোক্তার হোসেন ও রবিউল ইসলাম বলেন, একদিনের বৃষ্টিতে ধান তলিয়ে গেছে। সামনে বৃষ্টি বাড়লে কি হবে এই আতঙ্কে রয়েছি। একই গ্রামের হেদা মিয়া বলেন, কাল শুকানো জমিতে ধান কাটলাম আর আজবে হাঁটু পানিতে।
রংপুর আবহাওয়া বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সহকারি আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজ জানান, এ রকম আবহাওয়া আরো ৪/৫ দিন থাকবে। তবে বৃষ্টি রাতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হোসেন বলেন, ক্ষয়ক্ষতির হিসেব তেমন নেই। তবে কিছু বাদাম ও ভুট্টার খেত তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া ভাল হলে পানি নেমে যাবে।
লোড হচ্ছে...