রাজনীতি
গণজোয়ারে সব হুমকি-ধমকি উড়ে যাবে: শাহ আলম
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচনের মাঠে তৈরি হওয়া বর্তমান গণজোয়ারে কোনো প্রকার হুমকি-ধমকি কাজে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা চিতাশাল ও দেলপাড়া এলাকায় ‘হরিণ’ প্রতীকের গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
গণসংযোগকালে শাহ আলম বলেন, “আমরা জনগণের প্রার্থী, আর জনগণই আমাদের সঙ্গে আছে। সুতরাং জনগণই আমাদের শক্তি। বিগত বছরগুলোতে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি, তাই এবার তারা উন্মুখ হয়ে আছে। নির্বাচনের মাঠে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তাতে সব ষড়যন্ত্র ও হুমকি ইনশাআল্লাহ উড়ে যাবে।”
নির্বাচনি পরিবেশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শাহ আলম বলেন, “আমরা শুরু থেকেই একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানিয়ে আসছি। প্রশাসন আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে। আমরা সেই আশায় আছি। তবে প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তা রুখে দাঁড়াবে।” তিনি আরও যোগ করেন, একটি স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনে যিনিই জয়ী হবেন, ফলাফল যা-ই হোক, সবাই তা মেনে নেবেন। কিন্তু নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হবে।
নিজের প্রতীকের পক্ষে সমর্থনের চিত্র তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, “নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মা-বোনেরাও আজ হরিণ প্রতীকের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এই গণজোয়ার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হরিণ মার্কাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।”
শনিবার সকালে শাহ আলমের এই গণসংযোগকে কেন্দ্র করে দেলপাড়া থেকে পাগলা সংযোগ সড়কে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এর ফলে ওই সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও শাহ আলমের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বর্তমান সক্রিয়তা নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনি সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নির্বাচনের মাঠে তৈরি হওয়া বর্তমান গণজোয়ারে কোনো প্রকার হুমকি-ধমকি কাজে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা চিতাশাল ও দেলপাড়া এলাকায় ‘হরিণ’ প্রতীকের গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
গণসংযোগকালে শাহ আলম বলেন, “আমরা জনগণের প্রার্থী, আর জনগণই আমাদের সঙ্গে আছে। সুতরাং জনগণই আমাদের শক্তি। বিগত বছরগুলোতে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি, তাই এবার তারা উন্মুখ হয়ে আছে। নির্বাচনের মাঠে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তাতে সব ষড়যন্ত্র ও হুমকি ইনশাআল্লাহ উড়ে যাবে।”
নির্বাচনি পরিবেশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শাহ আলম বলেন, “আমরা শুরু থেকেই একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানিয়ে আসছি। প্রশাসন আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে। আমরা সেই আশায় আছি। তবে প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তা রুখে দাঁড়াবে।” তিনি আরও যোগ করেন, একটি স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনে যিনিই জয়ী হবেন, ফলাফল যা-ই হোক, সবাই তা মেনে নেবেন। কিন্তু নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হবে।
নিজের প্রতীকের পক্ষে সমর্থনের চিত্র তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, “নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মা-বোনেরাও আজ হরিণ প্রতীকের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এই গণজোয়ার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হরিণ মার্কাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।”
শনিবার সকালে শাহ আলমের এই গণসংযোগকে কেন্দ্র করে দেলপাড়া থেকে পাগলা সংযোগ সড়কে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এর ফলে ওই সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও শাহ আলমের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বর্তমান সক্রিয়তা নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনি সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
লোড হচ্ছে...