অর্থ-বাণিজ্য
৪৪ কোটি টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার করলো সিআইডি
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এমটিএফই-এর মাধ্যমে পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকার বেশি সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ডিজিটাল মুদ্রা উদ্ধারের এই ঘটনাকে দেশের ইতিহাসে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ ৪৪ কোটিরও বেশি টাকার সমমূল্যের ডিজিটাল মুদ্রা দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এই অর্জনের পর ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস সিআইডির সক্ষমতার প্রশংসা করেছে। দুই দেশের যৌথ প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ফলে এই অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে এক বার্তায় জানিয়েছে মার্কিন সংস্থাগুলো। অন্যদিকে, এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য সিআইডির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে একটি ধন্যবাদ পত্র দেওয়া হয়েছে।
সিআইডির ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার জানান, এমটিএফই নামের ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মটি ২০২৩ সালের মাঝামাঝি বন্ধ হয়ে গেলে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার উন্নত ব্লকচেইন বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ থেকে ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের ইউএসডিটি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ওই অর্থ বৈধ মুদ্রায় রূপান্তর করে সোনালী ব্যাংকের সরকারি হিসাবে জমা করা হয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সিআইডি জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্ধারকৃত অর্থ তাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। পাশাপাশি এই চক্রের মাধ্যমে পাচার হওয়া অবশিষ্ট অর্থ শনাক্ত ও উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করে যাচ্ছে সিআইডির সাইবার টিম।
অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এমটিএফই-এর মাধ্যমে পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকার বেশি সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ডিজিটাল মুদ্রা উদ্ধারের এই ঘটনাকে দেশের ইতিহাসে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ ৪৪ কোটিরও বেশি টাকার সমমূল্যের ডিজিটাল মুদ্রা দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এই অর্জনের পর ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস সিআইডির সক্ষমতার প্রশংসা করেছে। দুই দেশের যৌথ প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ফলে এই অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে এক বার্তায় জানিয়েছে মার্কিন সংস্থাগুলো। অন্যদিকে, এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য সিআইডির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে একটি ধন্যবাদ পত্র দেওয়া হয়েছে।
সিআইডির ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার জানান, এমটিএফই নামের ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মটি ২০২৩ সালের মাঝামাঝি বন্ধ হয়ে গেলে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার উন্নত ব্লকচেইন বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ থেকে ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের ইউএসডিটি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ওই অর্থ বৈধ মুদ্রায় রূপান্তর করে সোনালী ব্যাংকের সরকারি হিসাবে জমা করা হয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সিআইডি জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্ধারকৃত অর্থ তাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। পাশাপাশি এই চক্রের মাধ্যমে পাচার হওয়া অবশিষ্ট অর্থ শনাক্ত ও উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করে যাচ্ছে সিআইডির সাইবার টিম।
লোড হচ্ছে...