সারা দেশ
আসন্ন ঈদুল আজহা
গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরা
NewsView6

মাংস কাটতে ঢাকায় যাচ্ছে এই দলটি
নিউজভিউ ডেস্ক
চলছে মাংস কাটার যন্ত্রপাতির শান দেওয়ার কাজ। নিচ্ছেন কসাইরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি। দলগতভাবে এসব কসাই দু-একদিনর মধ্যে রাজধানী ঢাকার উদেশ্যে রওনা দেবেন। প্রতিবছর তারা এভাবে ঢাকা যেয়ে থাকেন। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। সে জন্য কেউ কেউ স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সি থেকে বিমানে টিকিট কিনেছেন। অনেকে যাচ্ছেন বাসে চড়ে।
সৈয়দপুর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম ছোটুয়া জানান, প্রতিবছর নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে বিপুল সংখ্যক কসাই কোরবানির মাংস কাটতে এবং বাড়তি আয়ের জন্য ঢাকামুখি হয়ে থাকেন। ঈদের আগে বিমানগুলো ভাড়া কমিয়ে থাকেন। এ সুযোগটি নিয়ে থাকেন কসাইরা।
তিনি জানান, সৈয়দপুরে ১ লাখ টাকা দামের একটি গরু বানিয়ে সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়। অথচ ঢাকায় একই কাজের জন্য পাওয়া যায় ২০-২৫ হাজার টাকা। একজন অভিজ্ঞ কসাই ঈদের তিন দিনে অন্তত ১০টি গরুর মাংস কাটতে পারেন। ফলে, তিন দিনের কাজ শেষে অনেকে ভালো অঙ্কের আয় করে বাড়ি ফেরেন।
সৈয়দপুর থেকে ঢাকা চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনে ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কেটেছেন কসাইরা। অনেকে টিকিট নিয়েছেন বিমানের। এভাবে যাতায়াতে কসাইরা সৈয়দপুরের কসাই সমিতি থেকে টাকা-পয়সা ধার নিয়েছেন।
সৈয়দপুরের উপকন্ঠের কসাই আলাউদ্দিন জানান, আমাদের কসাইয়ের মোবাইল নাম্বার ঢাকার কোরবানিদাতার কাছে রয়েছে। কয় জন লাগবে সে অনুযায়ী আমরা কসাই নিয়ে যাই। আমার দল মুলত গুলশান, বনানী এলাকায় কাজ করে থাকেন।
সৈয়দপুর গোলাহাট এলাকার কসাই সুলতান বলেন, মাস খানেক আগেই ঢাকার অনেক পরিবার বুকিং দিয়ে রাখেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে আমার আত্মীয় থাকায় আমি গত ২১ মে তিনজনের একটি দল নিয়ে বিমানে করে ঢাকায় চলে এসেছি। হাজারে ২০০ টাকা রেটে চুক্তি হয়। অর্থাৎ এক লাখ টাকার গরু কাটলে কসাই পান প্রায় ২০ হাজার টাকা। আয় যেহেতু হবে, তাই বিমানে যাতায়াত করি।
সৈয়দপুর পৌর মাংসহাটির কসাই ফজলে রাব্বি, নওশাদ আলী, মিন্টু ও খয়রাত হোসেনসহ আরও অনেকে ইতোমধ্যে বিমানের টিকিট বুকিং করেছেন। তারা জানান, ঈদের আগে ঢাকাগামী ফ্লাইটে যাত্রী কম থাকায় অনেক সময় ভাড়া তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। সেই সুযোগেই বিমানে যাওয়া।
কলিম মোড় এলাকার কসাই মোস্তাকিম, ইলিয়াস ও জাম্বুর ভাষ্য, সাধারণত চার জনের একটি দল গঠন করে তারা কাজ করেন। ঈদের তিন দিনে একটি দল অন্তত ১২ থেকে ১৬টি গরু জবাই ও মাংস কাটার কাজ করতে পারে। এতে প্রতিটি দলের আয় দাঁড়ায় প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। মোস্তাকিম কসাই বলেন, আগে বাবা ঢাকায় যেতেন। এখন আমি যাচ্ছি। গুলশান-বনানীর অনেক বাসায় নিয়মিত কাজ করি। অনেকে আমাদের মোবাইল নম্বর আগেই সংরক্ষণ করে রাখেন। ঈদ শেষে আবার কেউ বিমানে, কেউ বাস বা ট্রেনে করে ফিরে আসেন। শুরু হয় পুরোনো জীবনের ব্যন্ততা।
চলছে মাংস কাটার যন্ত্রপাতির শান দেওয়ার কাজ। নিচ্ছেন কসাইরা ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি। দলগতভাবে এসব কসাই দু-একদিনর মধ্যে রাজধানী ঢাকার উদেশ্যে রওনা দেবেন। প্রতিবছর তারা এভাবে ঢাকা যেয়ে থাকেন। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। সে জন্য কেউ কেউ স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সি থেকে বিমানে টিকিট কিনেছেন। অনেকে যাচ্ছেন বাসে চড়ে।
সৈয়দপুর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম ছোটুয়া জানান, প্রতিবছর নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে বিপুল সংখ্যক কসাই কোরবানির মাংস কাটতে এবং বাড়তি আয়ের জন্য ঢাকামুখি হয়ে থাকেন। ঈদের আগে বিমানগুলো ভাড়া কমিয়ে থাকেন। এ সুযোগটি নিয়ে থাকেন কসাইরা।
তিনি জানান, সৈয়দপুরে ১ লাখ টাকা দামের একটি গরু বানিয়ে সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়। অথচ ঢাকায় একই কাজের জন্য পাওয়া যায় ২০-২৫ হাজার টাকা। একজন অভিজ্ঞ কসাই ঈদের তিন দিনে অন্তত ১০টি গরুর মাংস কাটতে পারেন। ফলে, তিন দিনের কাজ শেষে অনেকে ভালো অঙ্কের আয় করে বাড়ি ফেরেন।
সৈয়দপুর থেকে ঢাকা চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনে ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কেটেছেন কসাইরা। অনেকে টিকিট নিয়েছেন বিমানের। এভাবে যাতায়াতে কসাইরা সৈয়দপুরের কসাই সমিতি থেকে টাকা-পয়সা ধার নিয়েছেন।
সৈয়দপুরের উপকন্ঠের কসাই আলাউদ্দিন জানান, আমাদের কসাইয়ের মোবাইল নাম্বার ঢাকার কোরবানিদাতার কাছে রয়েছে। কয় জন লাগবে সে অনুযায়ী আমরা কসাই নিয়ে যাই। আমার দল মুলত গুলশান, বনানী এলাকায় কাজ করে থাকেন।
সৈয়দপুর গোলাহাট এলাকার কসাই সুলতান বলেন, মাস খানেক আগেই ঢাকার অনেক পরিবার বুকিং দিয়ে রাখেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে আমার আত্মীয় থাকায় আমি গত ২১ মে তিনজনের একটি দল নিয়ে বিমানে করে ঢাকায় চলে এসেছি। হাজারে ২০০ টাকা রেটে চুক্তি হয়। অর্থাৎ এক লাখ টাকার গরু কাটলে কসাই পান প্রায় ২০ হাজার টাকা। আয় যেহেতু হবে, তাই বিমানে যাতায়াত করি।
সৈয়দপুর পৌর মাংসহাটির কসাই ফজলে রাব্বি, নওশাদ আলী, মিন্টু ও খয়রাত হোসেনসহ আরও অনেকে ইতোমধ্যে বিমানের টিকিট বুকিং করেছেন। তারা জানান, ঈদের আগে ঢাকাগামী ফ্লাইটে যাত্রী কম থাকায় অনেক সময় ভাড়া তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। সেই সুযোগেই বিমানে যাওয়া।
কলিম মোড় এলাকার কসাই মোস্তাকিম, ইলিয়াস ও জাম্বুর ভাষ্য, সাধারণত চার জনের একটি দল গঠন করে তারা কাজ করেন। ঈদের তিন দিনে একটি দল অন্তত ১২ থেকে ১৬টি গরু জবাই ও মাংস কাটার কাজ করতে পারে। এতে প্রতিটি দলের আয় দাঁড়ায় প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। মোস্তাকিম কসাই বলেন, আগে বাবা ঢাকায় যেতেন। এখন আমি যাচ্ছি। গুলশান-বনানীর অনেক বাসায় নিয়মিত কাজ করি। অনেকে আমাদের মোবাইল নম্বর আগেই সংরক্ষণ করে রাখেন। ঈদ শেষে আবার কেউ বিমানে, কেউ বাস বা ট্রেনে করে ফিরে আসেন। শুরু হয় পুরোনো জীবনের ব্যন্ততা।
লোড হচ্ছে...