নারায়ণগঞ্জসদর
নিখোঁজের ১০ দিন পর বিউটি পার্লারের টয়লেটে মিলল লাশ
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকায় ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর তালাবদ্ধ একটি বিউটি পার্লারের টয়লেট থেকে কামরুন নাহার ইতি (৩৮) নামে এক নারী উদ্যোক্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ‘পরী বিউটি পার্লার’ থেকে পচাগলা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী আনোয়ার হোসেন সেন্টুকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহত কামরুন নাহার ইতি সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন সেন্টুর স্ত্রী এবং আব্দুর রাজ্জাকের কন্যা। তিনি আমলাপাড়া এলাকায় নিজেই বিউটি পার্লারটি পরিচালনা করতেন।
সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ইতি নিখোঁজ ছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর ভাই মো. আলিফ ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন। শুক্রবার দুপুরে পার্লারের ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে টয়লেটের ভেতর থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক আলামত ও দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার বিষয়টি পর্যালোচনায় এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে না। ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকায় ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর তালাবদ্ধ একটি বিউটি পার্লারের টয়লেট থেকে কামরুন নাহার ইতি (৩৮) নামে এক নারী উদ্যোক্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ‘পরী বিউটি পার্লার’ থেকে পচাগলা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী আনোয়ার হোসেন সেন্টুকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহত কামরুন নাহার ইতি সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন সেন্টুর স্ত্রী এবং আব্দুর রাজ্জাকের কন্যা। তিনি আমলাপাড়া এলাকায় নিজেই বিউটি পার্লারটি পরিচালনা করতেন।
সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ইতি নিখোঁজ ছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর ভাই মো. আলিফ ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন। শুক্রবার দুপুরে পার্লারের ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে টয়লেটের ভেতর থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক আলামত ও দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার বিষয়টি পর্যালোচনায় এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হচ্ছে না। ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লোড হচ্ছে...