রাজনীতিসদর
এজেন্টদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, প্রশাসনকে জানিয়েছি: শাহ আলম
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এরই মধ্যে নিজের কর্মীদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এই আসনের হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে এনায়েতনগর ইউনিয়নের পূর্ব মাসদাইর এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
গণসংযোগকালে শাহ আলম সাংবাদিকদের বলেন, “আমার কর্মীদের, বিশেষ করে যারা ওয়ার্ড পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে, তাদের ফোনে এবং সামনাসামনি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে—১২ তারিখের পরে দেখে নেওয়া হবে। আমার এজেন্টদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি বিষয়টি প্রশাসনকে গুরুত্বের সাথে অবগত করেছি।”
দলের সিদ্ধান্ত ও তৃণমূলের অবস্থান বিএনপি থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে শাহ আলম বলেন, “২০০৮ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে আমার রাজনীতি শুরু। দল জোটের স্বার্থে হয়তো কাউকে মনোনয়ন দিয়েছে, কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এবং এলাকাবাসী তাকে মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। নেতাকর্মীদের ভালোবাসার কারণেই আমি ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র দাঁড়িয়েছি।”
বহিষ্কার প্রসঙ্গে দৃঢ়তা তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “দলীয় নিয়ম অনুযায়ী আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু আমাকে একবার কেন, একশবার বহিষ্কার করলেও আমার মন থেকে বিএনপি ও বেগম জিয়াকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।”
ভোটের বিপ্লবের প্রত্যাশা বিগত ১৭ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এবার সাধারণ মানুষের একটাই কথা—আমরা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে চাই। সরকার ও প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ থাকে এবং মানুষ যদি তার নিজের ভোট নিজে দিতে পারে, তবে ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে একটি নীরব বিপ্লব হবে ইনশাআল্লাহ।”
এদিন গণসংযোগে শাহ আলমের সাথে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসান রোজেল এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লাসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এরই মধ্যে নিজের কর্মীদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এই আসনের হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে এনায়েতনগর ইউনিয়নের পূর্ব মাসদাইর এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
গণসংযোগকালে শাহ আলম সাংবাদিকদের বলেন, “আমার কর্মীদের, বিশেষ করে যারা ওয়ার্ড পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে, তাদের ফোনে এবং সামনাসামনি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে—১২ তারিখের পরে দেখে নেওয়া হবে। আমার এজেন্টদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি বিষয়টি প্রশাসনকে গুরুত্বের সাথে অবগত করেছি।”
দলের সিদ্ধান্ত ও তৃণমূলের অবস্থান বিএনপি থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে শাহ আলম বলেন, “২০০৮ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে আমার রাজনীতি শুরু। দল জোটের স্বার্থে হয়তো কাউকে মনোনয়ন দিয়েছে, কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এবং এলাকাবাসী তাকে মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। নেতাকর্মীদের ভালোবাসার কারণেই আমি ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র দাঁড়িয়েছি।”
বহিষ্কার প্রসঙ্গে দৃঢ়তা তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “দলীয় নিয়ম অনুযায়ী আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু আমাকে একবার কেন, একশবার বহিষ্কার করলেও আমার মন থেকে বিএনপি ও বেগম জিয়াকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।”
ভোটের বিপ্লবের প্রত্যাশা বিগত ১৭ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এবার সাধারণ মানুষের একটাই কথা—আমরা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে চাই। সরকার ও প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ থাকে এবং মানুষ যদি তার নিজের ভোট নিজে দিতে পারে, তবে ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে একটি নীরব বিপ্লব হবে ইনশাআল্লাহ।”
এদিন গণসংযোগে শাহ আলমের সাথে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসান রোজেল এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লাসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
লোড হচ্ছে...