নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে ছাত্রলীগ নেতার হাসপাতালে তাঁতীদল নেতার চাঁদাবাজির অভিযোগ
NewsView

নিউজভিউ (বন্দর করেসপন্ডেন্ট)
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এক ছাত্রলীগ নেতার মালিকানাধীন হাসপাতালে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং কেয়ারটেকারকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মহানগর তাঁতীদলের নবঘোষিত যুগ্ম আহ্বায়ক মোমেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী মিতু আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মিতু আক্তার পলাতক ছাত্রলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী অহিদুজ্জামান অহিদের স্ত্রী। তথ্যটি নিউজভিউকে নিশ্চিক করেছেন বন্দর থানার ইন্সপেক্ট (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় অবস্থিত ‘মদনপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল’ পরিচালনা করেন মিতু আক্তার। তাঁর স্বামী অহিদুজ্জামান অহিদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। এই সুযোগে স্থানীয় ফুলহর এলাকার শহিদুল্লাহ পাইসা মিয়ার ছেলে ও তাঁতীদল নেতা মোমেন এবং তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘ দিন ধরে মিতুর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মোমেনের নেতৃত্বে শফিউল্লাহ, বিল্লাল ওরফে টোকাই বিল্লাল, দ্বিপ হোসেন, আরাফাত ও সুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করে চাঁদার জন্য হুমকি দেন। এর দুদিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তাঁরা পুনরায় হাসপাতালে অনাধিকার প্রবেশ করেন।
এ সময় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের কেয়ারটেকার সালাউদ্দিনকে (৩৬) বেদম মারধর করে গুরুতর জখম করেন এবং তাঁর পকেটে থাকা নগদ দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। পরে স্থানীয়রা আহত সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বন্দর থানায় দায়ের করা মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮৫ ও ৩০৭ সহ বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত তাঁতীদল নেতা মোমেন বা তাঁর কোনো সহযোগীকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
বন্দর থানার ইন্সপেক্ট (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা মামলা গ্রহন করেছি। এখনো কেউ আটক নেই। তবে মামলা জাচাই-বাছাই করে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এক ছাত্রলীগ নেতার মালিকানাধীন হাসপাতালে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং কেয়ারটেকারকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মহানগর তাঁতীদলের নবঘোষিত যুগ্ম আহ্বায়ক মোমেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী মিতু আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মিতু আক্তার পলাতক ছাত্রলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী অহিদুজ্জামান অহিদের স্ত্রী। তথ্যটি নিউজভিউকে নিশ্চিক করেছেন বন্দর থানার ইন্সপেক্ট (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় অবস্থিত ‘মদনপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল’ পরিচালনা করেন মিতু আক্তার। তাঁর স্বামী অহিদুজ্জামান অহিদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। এই সুযোগে স্থানীয় ফুলহর এলাকার শহিদুল্লাহ পাইসা মিয়ার ছেলে ও তাঁতীদল নেতা মোমেন এবং তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘ দিন ধরে মিতুর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মোমেনের নেতৃত্বে শফিউল্লাহ, বিল্লাল ওরফে টোকাই বিল্লাল, দ্বিপ হোসেন, আরাফাত ও সুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করে চাঁদার জন্য হুমকি দেন। এর দুদিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তাঁরা পুনরায় হাসপাতালে অনাধিকার প্রবেশ করেন।
এ সময় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের কেয়ারটেকার সালাউদ্দিনকে (৩৬) বেদম মারধর করে গুরুতর জখম করেন এবং তাঁর পকেটে থাকা নগদ দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। পরে স্থানীয়রা আহত সালাউদ্দিনকে উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বন্দর থানায় দায়ের করা মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮৫ ও ৩০৭ সহ বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত তাঁতীদল নেতা মোমেন বা তাঁর কোনো সহযোগীকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
বন্দর থানার ইন্সপেক্ট (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা মামলা গ্রহন করেছি। এখনো কেউ আটক নেই। তবে মামলা জাচাই-বাছাই করে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
লোড হচ্ছে...