নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
NewsView5

নিউজভিউ
ঈদের অন্তত ৭ দিন আগে শ্রমিকদের মে মাসের পূর্ণ বেতন, পূর্ণ ঈদ বোনাস ও বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে ) বিকেল সাড়ে ৪টায় গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রদক্ষিণ করে।
গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সেলিম মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি হাসনাত কবিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন সর্দার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন সোহাগ, জেলা প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, আঞ্চলিক নেতা কামাল হোসেন ও রুহানসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রতি বছর ঈদ নির্দিষ্ট সময়ে আসলেও একশ্রেণীর অসাধু কারখানা মালিক শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। শ্রম মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শিল্প পুলিশের সমন্বয়ে 'ক্রাইসিস প্রতিরোধ কমিটি' থাকা সত্ত্বেও অনেক মালিক শ্রম আইন মানছেন না। আইন অনুযায়ী মূল মজুরির সমপরিমাণ ঈদ বোনাস দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক কারখানায় শ্রমিকদের মাত্র ৫০০ বা ১০০০ টাকা "বকশিস" দিয়ে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, শ্রমিকরা প্রতি শুক্রবার জেনারেল ডিউটি করে আসছেন। আগামী ২৮ মে ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই শ্রমিকরা যেন পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামে গিয়ে মিলেমিশে কোরবানি দিতে পারেন এবং সন্তানদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য ঈদের আগেই মে মাসের পূর্ণ বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবি।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ঈদুল ফিতরে সরকার মালিকদের হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। উল্টো গত ১৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সভাপতি সেলিম মাহমুদসহ রবিনটেক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের ২২ জন শ্রমিককে মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করানো হয়েছে এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে সেই মামলা এখনও চলমান রয়েছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে উত্থাপিত ৫ দফা দাবি:
১. ঈদের অন্তত ৭ দিন আগে পূর্ণ ঈদ বোনাস, মে মাসের পূর্ণ বেতন এবং সমস্ত বকেয়া পাওনা নিশ্চিত করতে হবে।
২. যেসব মালিক শ্রমিকদের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করবে না, তাদের তালিকা প্রকাশ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
৩. সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন অমান্যকারী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. মালিকের অবহেলায় কোনো শ্রমিক নিহত বা স্থায়ী পঙ্গু হলে আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৫. নারায়ণগঞ্জসহ দেশের সব শ্রম আদালতে চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
শুক্রবার (১৫ মে ) বিকেল সাড়ে ৪টায় গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রদক্ষিণ করে।
গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সেলিম মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি হাসনাত কবিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন সর্দার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন সোহাগ, জেলা প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, আঞ্চলিক নেতা কামাল হোসেন ও রুহানসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রতি বছর ঈদ নির্দিষ্ট সময়ে আসলেও একশ্রেণীর অসাধু কারখানা মালিক শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। শ্রম মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শিল্প পুলিশের সমন্বয়ে 'ক্রাইসিস প্রতিরোধ কমিটি' থাকা সত্ত্বেও অনেক মালিক শ্রম আইন মানছেন না। আইন অনুযায়ী মূল মজুরির সমপরিমাণ ঈদ বোনাস দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক কারখানায় শ্রমিকদের মাত্র ৫০০ বা ১০০০ টাকা "বকশিস" দিয়ে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, শ্রমিকরা প্রতি শুক্রবার জেনারেল ডিউটি করে আসছেন। আগামী ২৮ মে ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই শ্রমিকরা যেন পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামে গিয়ে মিলেমিশে কোরবানি দিতে পারেন এবং সন্তানদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য ঈদের আগেই মে মাসের পূর্ণ বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবি।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ঈদুল ফিতরে সরকার মালিকদের হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। উল্টো গত ১৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সভাপতি সেলিম মাহমুদসহ রবিনটেক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের ২২ জন শ্রমিককে মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করানো হয়েছে এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে সেই মামলা এখনও চলমান রয়েছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে উত্থাপিত ৫ দফা দাবি:
১. ঈদের অন্তত ৭ দিন আগে পূর্ণ ঈদ বোনাস, মে মাসের পূর্ণ বেতন এবং সমস্ত বকেয়া পাওনা নিশ্চিত করতে হবে।
২. যেসব মালিক শ্রমিকদের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করবে না, তাদের তালিকা প্রকাশ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
৩. সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন অমান্যকারী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. মালিকের অবহেলায় কোনো শ্রমিক নিহত বা স্থায়ী পঙ্গু হলে আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৫. নারায়ণগঞ্জসহ দেশের সব শ্রম আদালতে চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
লোড হচ্ছে...