নারায়ণগঞ্জ
বৈশাখ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির এক অনন্য শক্তি: জেলা প্রশাসক
NHP NewsView

নিউজভিউ
পহেলা বৈশাখকে কেবল একটি ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তন নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও সংহতির এক অনন্য শক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণিল ‘বৈশাখী মেলা’র উদ্বোধন শেষে তিনি জানান, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই উৎসবে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা কতটা অবিচ্ছেদ্য। শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন ও অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে এই অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বছরের প্রতিটি দিন ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, “বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পহেলা বৈশাখ আমাদের জন্য একটি বিশেষভাবে স্মরণীয় দিন। বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে আমরা নতুন বছরের যে যাত্রা শুরু করেছি, তাতে গ্রামীণ ও দেশীয় ঐতিহ্যের বহুমাত্রিক প্রতিফলন ঘটেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু করে আমরা আমাদের দেশপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছি। মেলায় পান্তা-ভাত ও মাছের আয়োজনসহ দেশীয় সংস্কৃতির যে আবহ তৈরি করা হয়েছে, তা নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের শেকড়কে তুলে ধরবে।”
নারায়ণগঞ্জের বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশ ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমরা নারায়ণগঞ্জকে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের অগ্রকাতারে দেখতে চাই। আর এই লক্ষ্য অর্জনে সবার আগে প্রয়োজন নাগরিক সহাবস্থান। আজ নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে যেভাবে রাজনৈতিক নেতারা, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণ এক কাতারে শামিল হয়েছেন, এই ঐক্যই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মূল চালিকাশক্তি। আমরা চাই বছরের প্রথম দিনের এই সংহতি যেন সারা বছর অটুট থাকে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মো. রায়হান কবির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক পর্বে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনা এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রদর্শনী উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। জেলা প্রশাসক মেলা পরিভ্রমণ করেন এবং আগত দর্শনার্থীদের সাথে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পহেলা বৈশাখকে কেবল একটি ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তন নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও সংহতির এক অনন্য শক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণিল ‘বৈশাখী মেলা’র উদ্বোধন শেষে তিনি জানান, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই উৎসবে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা কতটা অবিচ্ছেদ্য। শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন ও অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে এই অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বছরের প্রতিটি দিন ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, “বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পহেলা বৈশাখ আমাদের জন্য একটি বিশেষভাবে স্মরণীয় দিন। বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে আমরা নতুন বছরের যে যাত্রা শুরু করেছি, তাতে গ্রামীণ ও দেশীয় ঐতিহ্যের বহুমাত্রিক প্রতিফলন ঘটেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু করে আমরা আমাদের দেশপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছি। মেলায় পান্তা-ভাত ও মাছের আয়োজনসহ দেশীয় সংস্কৃতির যে আবহ তৈরি করা হয়েছে, তা নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের শেকড়কে তুলে ধরবে।”
নারায়ণগঞ্জের বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশ ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমরা নারায়ণগঞ্জকে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের অগ্রকাতারে দেখতে চাই। আর এই লক্ষ্য অর্জনে সবার আগে প্রয়োজন নাগরিক সহাবস্থান। আজ নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে যেভাবে রাজনৈতিক নেতারা, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণ এক কাতারে শামিল হয়েছেন, এই ঐক্যই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মূল চালিকাশক্তি। আমরা চাই বছরের প্রথম দিনের এই সংহতি যেন সারা বছর অটুট থাকে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মো. রায়হান কবির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক পর্বে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনা এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রদর্শনী উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। জেলা প্রশাসক মেলা পরিভ্রমণ করেন এবং আগত দর্শনার্থীদের সাথে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
লোড হচ্ছে...