জাতীয়
ত্বকী হত্যার বিচার প্রশ্নে বক্তারা: অন্তবর্তী সরকার শেখ হাসিনার সম্প্রসারণ কি না
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার বিচার শুরু না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করে বক্তারা প্রশ্ন তুলেছেন, অন্তবর্তী সরকার শেখ হাসিনার সম্প্রসারণ কি না।
১১দশ জাতীয় ত্বকী শিশু-কিশোর রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তারা এমন প্রশন্ন তোলেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকালালে জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান করে সন্ত্রাস বিরোধী ত্বকী মঞ্চ। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, কবি হালিম আজাদ, ত্বকীর মা রওনক জাহান। সভাপতি ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি।
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ত্বকি নয়, তার বাবা রাব্বির গণমুখী ভূমিকার কারণে ত্বকীকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। রাব্বি চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার ছিলেলন, দ্বিতীয় অপরাধ তিনি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনে ভূমিকা নিয়েছেন- এই কারণ তাকে সন্তানহারা হতে হয়েছে। আর এই হত্যার বিচার হচ্ছে না। আমরা শুরু থেকে বলে আসছি, এই হত্যার বিচার একদিন হবেই।
আনু মুহাম্মদ বলেন, ২৪শের গণঅভ্যুত্থানের পরে এই আশাটা খুব বেশি ছিল না, যে ত্বকী হত্যার বিচার হবে। কারণ আমরা শেখ হাসিনার আমলে বছরের পর বছর সব ধরণে অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে এই ত্বকী মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলেছি। এ সময় আমরা বলেছি, শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার কারণেই ত্বকী হত্যার বিচার আটকে গেছে। কিন্তু কথা হচ্ছে, এখন শেখ হাসিনা নাই। এখন বিচারে বাধাটা কোথায়? তা হলে শেখ হাসিনা কি অদৃশ্য শক্তি হিসেবে এখনও কাজ করছেন, এই সরকার কি শেখ হাসিনার সম্প্রসাসরণ, শুধু ত্বকী হত্যা নয়, অন্তবর্তী করসারের আরও নানা কাজে এই প্রশ্নটি থেকে যাচ্ছে। তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলতে পারবো শেখ হাসিনা যা যা করতে চেয়েছিলেন, এই সরকার সেগুলো অব্যাহত রেখেছে।
সারা হোসেন বলেন, কোর্ট শুনানির ১০০ তম দিনে শেষেও আমরা ত্বকী হত্যার বিচারের দাবিতে দাঁড়িয়েছি। এই বিচারহীনতা, আমাদের জন্য লজ্জার, আমরা যারা বিচার কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছি। তিনি আরও বলেন, অন্য হত্যার বিচারে যারা স্বোচ্চার, ত্বকী হত্যার বিচারের ক্ষেত্রে তারা সরব নেই কেন?
সভাপতির বক্তব্যে রফিউর রাব্বি বলেন, আজকে সব শিশুরা, যারা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, তাদের সৃষ্টির মধ্য দিয়ে ত্বকীর সম্ভাবনাও ধ্বনিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতা কমিটির আহ্বায়ক, জাহিদুল হক দিপু, সঞ্চালনা করেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতি জোটের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়।
১১দশ জাতীয় ত্বকী শিশু-কিশোর রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তারা এমন প্রশন্ন তোলেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকালালে জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান করে সন্ত্রাস বিরোধী ত্বকী মঞ্চ। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, কবি হালিম আজাদ, ত্বকীর মা রওনক জাহান। সভাপতি ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি।
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ত্বকি নয়, তার বাবা রাব্বির গণমুখী ভূমিকার কারণে ত্বকীকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। রাব্বি চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার ছিলেলন, দ্বিতীয় অপরাধ তিনি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনে ভূমিকা নিয়েছেন- এই কারণ তাকে সন্তানহারা হতে হয়েছে। আর এই হত্যার বিচার হচ্ছে না। আমরা শুরু থেকে বলে আসছি, এই হত্যার বিচার একদিন হবেই।
আনু মুহাম্মদ বলেন, ২৪শের গণঅভ্যুত্থানের পরে এই আশাটা খুব বেশি ছিল না, যে ত্বকী হত্যার বিচার হবে। কারণ আমরা শেখ হাসিনার আমলে বছরের পর বছর সব ধরণে অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে এই ত্বকী মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলেছি। এ সময় আমরা বলেছি, শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার কারণেই ত্বকী হত্যার বিচার আটকে গেছে। কিন্তু কথা হচ্ছে, এখন শেখ হাসিনা নাই। এখন বিচারে বাধাটা কোথায়? তা হলে শেখ হাসিনা কি অদৃশ্য শক্তি হিসেবে এখনও কাজ করছেন, এই সরকার কি শেখ হাসিনার সম্প্রসাসরণ, শুধু ত্বকী হত্যা নয়, অন্তবর্তী করসারের আরও নানা কাজে এই প্রশ্নটি থেকে যাচ্ছে। তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলতে পারবো শেখ হাসিনা যা যা করতে চেয়েছিলেন, এই সরকার সেগুলো অব্যাহত রেখেছে।
সারা হোসেন বলেন, কোর্ট শুনানির ১০০ তম দিনে শেষেও আমরা ত্বকী হত্যার বিচারের দাবিতে দাঁড়িয়েছি। এই বিচারহীনতা, আমাদের জন্য লজ্জার, আমরা যারা বিচার কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছি। তিনি আরও বলেন, অন্য হত্যার বিচারে যারা স্বোচ্চার, ত্বকী হত্যার বিচারের ক্ষেত্রে তারা সরব নেই কেন?
সভাপতির বক্তব্যে রফিউর রাব্বি বলেন, আজকে সব শিশুরা, যারা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, তাদের সৃষ্টির মধ্য দিয়ে ত্বকীর সম্ভাবনাও ধ্বনিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতা কমিটির আহ্বায়ক, জাহিদুল হক দিপু, সঞ্চালনা করেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতি জোটের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়।
লোড হচ্ছে...