জাতীয়
দালালের প্রলোভনে প্রাণ হারালো সাত মাসের শিশু
NewsView4

নিউজভিউ
এক দালালের প্রলোভনে প্রাণ হারালো সাত মাস বয়সি শিশু মিনহাজ। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. এনায়েত করিমকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।
বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেললে বাবার কোলেই প্রাণ হারায় শিশুটি।
পরিবার সূত্র জানায়, মিনহাজকে কিডনির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়। ওই দালাল শিশুটিকে কাঁটাবনে প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা খরচে একটি হাসপাতালে পাঠানোর উদ্দেশ্যে শিশুটির অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলে। চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ ছিল অক্সিজেন মাস্ক না খোলার। এরপর অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজে প্রায় ২০ মিনিট ঘোরাঘুরি করেন। পরে হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনের গেট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় স্বজনরা বুঝতে পারেন, শিশুটি আর বেঁচে নেই।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, অভিযুক্ত দালাল এনায়েত করিম ঢামেক হাসপাতালেরই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া একজন অফিস সহকারী। তার বিরুদ্ধে আরও নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে অর্থ দাবি করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে ঢামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপের সুযোগ নিয়ে হাসপাতালে প্রায় অর্ধশত দালাল সক্রিয় রয়েছে। তারা আইসিইউ প্রয়োজন–এমন মুমূর্ষু রোগীদের লক্ষ্য করে বেসরকারি ক্লিনিকে ভাগিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করলেও চক্রের মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনমথ হালদার বলেন, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে যাই। এরপর জানতে পেরেছি, এক শিশু রোগীর পরিবারকে ফুঁসলিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিশুটি। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেললে বাবার কোলেই প্রাণ হারায় শিশুটি।
পরিবার সূত্র জানায়, মিনহাজকে কিডনির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়। ওই দালাল শিশুটিকে কাঁটাবনে প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা খরচে একটি হাসপাতালে পাঠানোর উদ্দেশ্যে শিশুটির অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলে। চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ ছিল অক্সিজেন মাস্ক না খোলার। এরপর অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজে প্রায় ২০ মিনিট ঘোরাঘুরি করেন। পরে হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনের গেট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় স্বজনরা বুঝতে পারেন, শিশুটি আর বেঁচে নেই।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, অভিযুক্ত দালাল এনায়েত করিম ঢামেক হাসপাতালেরই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া একজন অফিস সহকারী। তার বিরুদ্ধে আরও নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে অর্থ দাবি করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে ঢামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপের সুযোগ নিয়ে হাসপাতালে প্রায় অর্ধশত দালাল সক্রিয় রয়েছে। তারা আইসিইউ প্রয়োজন–এমন মুমূর্ষু রোগীদের লক্ষ্য করে বেসরকারি ক্লিনিকে ভাগিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করলেও চক্রের মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনমথ হালদার বলেন, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে যাই। এরপর জানতে পেরেছি, এক শিশু রোগীর পরিবারকে ফুঁসলিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিশুটি। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোড হচ্ছে...