সারা দেশ
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অপহৃত আরো ছয়
সুন্দরবনে থামছে না জেলে অপহরণ
NewsView6

সুন্দরবনের একটি খাল। ছবি : সংগৃহীত
নিউজভিউ ডেস্ক
পূর্ব সুন্দরবনে জেলে অপহরণ থামছেই না। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বনদস্যুরা আরো ছয় জেলেকে অপহরণ করেছে। বুধবার দিবাগত রাতে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী সুন্দরবনের ছাপড়াখালী এলাকার নদী থেকে ঐ ছয় জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শরণখোলার রাজাপুর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বলেন, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ছাপড়াখালী এলাকার নদীতে মাছ ধরারত জেলেদের নৌকা ও ট্রলারে হামলা করে ছয় জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী।
অপহৃত জেলেরা হলেন শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আপন দুই ভাই হাফিজুল ও ফাইজুর, বেল্লাল মীর, ছলেমান এবং পাথরঘাটার পদ্মা গ্রামের হাসিব। তবে অন্য আর একজন জেলের নাম জানা যায়নি। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সুন্দরবনের ফুসফুসেরচর এলাকা থেকে ১২ জেলে অপহৃত হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন জেলে বলেন, সুন্দরবনে জেলে ও মৌয়ালিদের কাছে এখন মূর্তিমান আতঙ্কের নাম জাহাঙ্গীর বাহিনী। জাহাঙ্গীর বাহিনী বেপরোয়া হয়ে সুন্দরবনে জেলেদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করছে। সুন্দরবন দস্যু মুক্ত করতে আগের মতো র্যাবের অভিযান পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের এক কর্মকর্তা বলেন, বনদস্যুদের কারণে এ বছর সুন্দরবনে মধু ও মাছের রাজস্ব আয় কমে গেছে। দস্যুদের ভয়ে অনেকেই মধু আহরণ ও মাছ ধরতে সুন্দরবনে যায়নি বলে ঐ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে বলেন, বুধবার দিবাগত রাতে ছাপড়াখালী এলাকায় ছয় জেলে অপহরণের খবর তারা পেয়েছেন।
শরণখোলা থানার ওসি মো. শামিনুল হক বলেন, সুন্দরবনে ছয় জেলে অপহরণের খবর তার জানা নেই। কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
পূর্ব সুন্দরবনে জেলে অপহরণ থামছেই না। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বনদস্যুরা আরো ছয় জেলেকে অপহরণ করেছে। বুধবার দিবাগত রাতে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী সুন্দরবনের ছাপড়াখালী এলাকার নদী থেকে ঐ ছয় জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শরণখোলার রাজাপুর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বলেন, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ছাপড়াখালী এলাকার নদীতে মাছ ধরারত জেলেদের নৌকা ও ট্রলারে হামলা করে ছয় জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী।
অপহৃত জেলেরা হলেন শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আপন দুই ভাই হাফিজুল ও ফাইজুর, বেল্লাল মীর, ছলেমান এবং পাথরঘাটার পদ্মা গ্রামের হাসিব। তবে অন্য আর একজন জেলের নাম জানা যায়নি। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সুন্দরবনের ফুসফুসেরচর এলাকা থেকে ১২ জেলে অপহৃত হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন জেলে বলেন, সুন্দরবনে জেলে ও মৌয়ালিদের কাছে এখন মূর্তিমান আতঙ্কের নাম জাহাঙ্গীর বাহিনী। জাহাঙ্গীর বাহিনী বেপরোয়া হয়ে সুন্দরবনে জেলেদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করছে। সুন্দরবন দস্যু মুক্ত করতে আগের মতো র্যাবের অভিযান পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের এক কর্মকর্তা বলেন, বনদস্যুদের কারণে এ বছর সুন্দরবনে মধু ও মাছের রাজস্ব আয় কমে গেছে। দস্যুদের ভয়ে অনেকেই মধু আহরণ ও মাছ ধরতে সুন্দরবনে যায়নি বলে ঐ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে বলেন, বুধবার দিবাগত রাতে ছাপড়াখালী এলাকায় ছয় জেলে অপহরণের খবর তারা পেয়েছেন।
শরণখোলা থানার ওসি মো. শামিনুল হক বলেন, সুন্দরবনে ছয় জেলে অপহরণের খবর তার জানা নেই। কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
লোড হচ্ছে...