শিক্ষা
প্রাথমিক বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফল রোববার (১২ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারা দেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন।
রোববার দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আইপিইএমআইএস (IPEMIS) পোর্টাল এবং মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
আরও জানানো হয়, এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুল এবং ৪৯ হাজার ৫০০টি সাধারণ বৃত্তি। তবে চূড়ান্ত ফলে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী।
এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় দেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি। পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯।
গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল দেশের সব জেলায় এবং পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল বিশেষ সময়সূচিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ঢাকা বিভাগের নয়টি জেলার ফলাফল অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা মো. মেহতাব কায়েসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আইপিইএমআইএস (IPEMIS) পোর্টাল এবং মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
আরও জানানো হয়, এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুল এবং ৪৯ হাজার ৫০০টি সাধারণ বৃত্তি। তবে চূড়ান্ত ফলে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী।
এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় দেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি। পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯।
গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল দেশের সব জেলায় এবং পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল বিশেষ সময়সূচিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ঢাকা বিভাগের নয়টি জেলার ফলাফল অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা মো. মেহতাব কায়েসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...