খেলা
শেষ মুহূর্তের গোলে পর্তুগালকে বিদায় করে শেষ আটে স্পেন
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ইনজুরি টাইমে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর একমাত্র গোলে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ডালাসের এটিএন্ডটি স্টেডিয়ামে জমে ওঠা শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ের যোগ করা প্রথম মিনিটে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন মেরিনো।
ম্যাচটি দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকলেও শেষ মুহূর্তে ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাস থেকে জয়সূচক গোলটি করেন মেরিনো। এতে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর আগেই জয় নিশ্চিত হয় স্পেনের।
এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয়ে গেল ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার। ম্যাচের আগেই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, এটিই হবে তার ষষ্ঠ ও শেষ বিশ্বকাপ।
প্রত্যাশিত উত্তেজনা পুরোপুরি না থাকলেও দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল দুর্দান্ত। স্পেন শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয়ে ছিল এবং পুরো টুর্নামেন্টে এখনো পর্যন্ত কোনো গোল হজম না করার রেকর্ডও ধরে রেখেছে।
১০ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। ডানি ওলমোর পাস থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল একা গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। অন্যদিকে রোনালদোর জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সাইমন।
ইয়ামাল, অ্যালেক্স বায়েনা ও ওলমোদের আক্রমণে বারবার পরীক্ষায় পড়তে হয় কস্তাকে। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে পর্তুগালও পাল্টা চাপ সৃষ্টি করে। নুনো মেন্ডেসের শট ঠেকাতে গিয়ে পেড্রো পোরোর হেড নিজের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, অল্পের জন্য রক্ষা পায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে নুনো মেন্ডেসের চোট পর্তুগালের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে। কোচ রবার্তো মার্টিনেজ একাধিক পরিবর্তন আনলেও রোনালদোকে পুরো ম্যাচেই মাঠে রাখেন। তবে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড ম্যাচে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমে মেরিনোর গোলেই জয় নিশ্চিত করে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেও পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো রোনালদোর বিদায়ের বেদনাময় অধ্যায়ের মাধ্যমে।
ম্যাচটি দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকলেও শেষ মুহূর্তে ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাস থেকে জয়সূচক গোলটি করেন মেরিনো। এতে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর আগেই জয় নিশ্চিত হয় স্পেনের।
এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয়ে গেল ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার। ম্যাচের আগেই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, এটিই হবে তার ষষ্ঠ ও শেষ বিশ্বকাপ।
প্রত্যাশিত উত্তেজনা পুরোপুরি না থাকলেও দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল দুর্দান্ত। স্পেন শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয়ে ছিল এবং পুরো টুর্নামেন্টে এখনো পর্যন্ত কোনো গোল হজম না করার রেকর্ডও ধরে রেখেছে।
১০ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। ডানি ওলমোর পাস থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল একা গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। অন্যদিকে রোনালদোর জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সাইমন।
ইয়ামাল, অ্যালেক্স বায়েনা ও ওলমোদের আক্রমণে বারবার পরীক্ষায় পড়তে হয় কস্তাকে। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে পর্তুগালও পাল্টা চাপ সৃষ্টি করে। নুনো মেন্ডেসের শট ঠেকাতে গিয়ে পেড্রো পোরোর হেড নিজের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, অল্পের জন্য রক্ষা পায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে নুনো মেন্ডেসের চোট পর্তুগালের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে। কোচ রবার্তো মার্টিনেজ একাধিক পরিবর্তন আনলেও রোনালদোকে পুরো ম্যাচেই মাঠে রাখেন। তবে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড ম্যাচে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমে মেরিনোর গোলেই জয় নিশ্চিত করে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেও পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো রোনালদোর বিদায়ের বেদনাময় অধ্যায়ের মাধ্যমে।
লোড হচ্ছে...