আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের সামরিক হুমকির কড়া জবাব ‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান’
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। বিক্ষোভ দমনে ইরানের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, ঠিক তখনই পাল্টা যুদ্ধের বার্তা দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরান শান্তি চায় তবে যুদ্ধের ভয় পায় না।
সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাঘচি দাবি করেন, গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যে ১২ দিনের যুদ্ধ হয়েছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন যদি তাদের ‘পরীক্ষা’ করতে চায়, তবে আমরা সকল বিকল্পের জন্য প্রস্তুত আছি।”
সম্প্রতি মার্কিন বিশেষ বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানি বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ না হলে তিনি ‘শক্তিশালী সামরিক বিকল্প’ বিবেচনা করছেন। এমনকি তিনি আরও বিক্ষোভকারীকে হত্যা করা হলে ‘কঠোর আঘাত’ করার হুমকিও দিয়েছেন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, একদিকে যুদ্ধের হুমকি থাকলেও অন্যদিকে আলোচনার পথও খোলা রয়েছে। আরাঘচি নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়মিত বজায় রয়েছে। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আসা কিছু প্রস্তাব তেহরানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের এই আলোচনার প্রস্তাব এবং একই সঙ্গে সামরিক হুমকিকে তিনি ‘অসঙ্গতিপূর্ণ’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তেহরান তাঁর সঙ্গে আলোচনার জন্য মুখিয়ে আছে। কিন্তু ইরান সরকারের দাবি, তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও সেটি হতে হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে, কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বা সামরিক হুকুমের চাপে নয়। বর্তমানে ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, যা দমনে ইরান সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। বিক্ষোভ দমনে ইরানের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, ঠিক তখনই পাল্টা যুদ্ধের বার্তা দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরান শান্তি চায় তবে যুদ্ধের ভয় পায় না।
সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাঘচি দাবি করেন, গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যে ১২ দিনের যুদ্ধ হয়েছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন যদি তাদের ‘পরীক্ষা’ করতে চায়, তবে আমরা সকল বিকল্পের জন্য প্রস্তুত আছি।”
সম্প্রতি মার্কিন বিশেষ বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানি বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ না হলে তিনি ‘শক্তিশালী সামরিক বিকল্প’ বিবেচনা করছেন। এমনকি তিনি আরও বিক্ষোভকারীকে হত্যা করা হলে ‘কঠোর আঘাত’ করার হুমকিও দিয়েছেন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, একদিকে যুদ্ধের হুমকি থাকলেও অন্যদিকে আলোচনার পথও খোলা রয়েছে। আরাঘচি নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়মিত বজায় রয়েছে। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আসা কিছু প্রস্তাব তেহরানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের এই আলোচনার প্রস্তাব এবং একই সঙ্গে সামরিক হুমকিকে তিনি ‘অসঙ্গতিপূর্ণ’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তেহরান তাঁর সঙ্গে আলোচনার জন্য মুখিয়ে আছে। কিন্তু ইরান সরকারের দাবি, তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও সেটি হতে হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে, কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বা সামরিক হুকুমের চাপে নয়। বর্তমানে ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, যা দমনে ইরান সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে।
লোড হচ্ছে...