সারা দেশ
সুন্দরবনে জলদস্যুর হাতে জিম্মি ১৭ জেলে
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে জলদস্যুরা। গত দুই দিনে 'আলিম' ও 'নানাভাই' বাহিনীর সদস্যরা পৃথক অভিযানে মুক্তিপণের দাবিতে অন্তত ২২ জন জেলেকে অপহরণ করেছে। অপহৃত জেলেরা সবাই শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ, রমজান নগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
রোববার সকাল থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের চুনকুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল থেকে এসব জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। জলদস্যুদের এই তাণ্ডবে লোকালয় সংলগ্ন হরিণগর, কদমতলাসহ উপকূলীয় এলাকায় জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
দস্যুরা অপহরণের পর ৫ জেলেকে মারধর করে মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দিলেও বাকি ১৭ জনকে গহীন বনে জিম্মি করে রেখেছে। ফিরে আসা জেলেরা জানান, লোকালয়ের খুব কাছাকাছি (হরিণগর বাজার থেকে মাত্র ১০-১২ মিনিটের দূরত্বে) এলাকা থেকেও জেলেদের অপহরণ করা হয়েছে।
জিম্মি থাকা ১৭ জন হলেন: মোমিন ফকির, মুর্শিদ আলম, ইসমাইল শেখ, আব্দুল করিম, আব্দুস সামাদ, মনোহর সরকার, আল মামুন, হুমায়ুন, মনিরুল, রবিউল, সঞ্জয়, আল আমিন, শাহাজান, আবুল বাসার বাবু, রেজাউল, আব্দুস সালাম ও আবুল কালাম।
অন্যদিকে, মুক্তিপণের দাবিতে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া জেলেরা হলেন: ধ্রুবো সরকার, হৃদয় মন্ডল, সবুর গাইন, সাইফুল ইসলাম ও ইউনুস আলী।
অপহৃতদের পরিবারের সদস্য এবং ফিরে আসা জেলেদের ভাষ্যমতে, গত ৪ থেকে ৫ দিন আগে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র নিয়ে তারা সুন্দরবনে যান। এক পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন খালে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের সময় মুক্তিপণের দাবিতে আলিম ওরফে আলিফ বাহিনী এবং নানাভাই বাহিনীর সদস্যরা তাদের অন্তত ২৮ থেকে ৩০ সহযোগীকে অপহরণ করেন। তাৎক্ষনিকভাবে উক্ত ২২ জনের নাম পরিচয় নিশ্চিত করেন তারা। এরমধ্যে ৫ জনকে মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দেয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জিম্মি জেলেদের কয়েক স্বজন জানান, এখনো পর্যন্ত জলদস্যুরা মুক্তিপণের কোন অংক জানায়নি। হয়তোবা মোবাইলের নেটওয়ার্কের মধ্যে ফিরে তারা মুক্তিপণ দাবি করতে পারে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান জানান, জেলে অপহরণের বিষয়টি কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান বলেন, " অপহরণের শিকার কোনো জেলের পরিবারের সদস্যরা এখনও তাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে লোক মুখে বিষয়টি জানার পর ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"
রোববার সকাল থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের চুনকুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল থেকে এসব জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়। জলদস্যুদের এই তাণ্ডবে লোকালয় সংলগ্ন হরিণগর, কদমতলাসহ উপকূলীয় এলাকায় জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
দস্যুরা অপহরণের পর ৫ জেলেকে মারধর করে মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দিলেও বাকি ১৭ জনকে গহীন বনে জিম্মি করে রেখেছে। ফিরে আসা জেলেরা জানান, লোকালয়ের খুব কাছাকাছি (হরিণগর বাজার থেকে মাত্র ১০-১২ মিনিটের দূরত্বে) এলাকা থেকেও জেলেদের অপহরণ করা হয়েছে।
জিম্মি থাকা ১৭ জন হলেন: মোমিন ফকির, মুর্শিদ আলম, ইসমাইল শেখ, আব্দুল করিম, আব্দুস সামাদ, মনোহর সরকার, আল মামুন, হুমায়ুন, মনিরুল, রবিউল, সঞ্জয়, আল আমিন, শাহাজান, আবুল বাসার বাবু, রেজাউল, আব্দুস সালাম ও আবুল কালাম।
অন্যদিকে, মুক্তিপণের দাবিতে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া জেলেরা হলেন: ধ্রুবো সরকার, হৃদয় মন্ডল, সবুর গাইন, সাইফুল ইসলাম ও ইউনুস আলী।
অপহৃতদের পরিবারের সদস্য এবং ফিরে আসা জেলেদের ভাষ্যমতে, গত ৪ থেকে ৫ দিন আগে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র নিয়ে তারা সুন্দরবনে যান। এক পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কদমতলা স্টেশনের আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন খালে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের সময় মুক্তিপণের দাবিতে আলিম ওরফে আলিফ বাহিনী এবং নানাভাই বাহিনীর সদস্যরা তাদের অন্তত ২৮ থেকে ৩০ সহযোগীকে অপহরণ করেন। তাৎক্ষনিকভাবে উক্ত ২২ জনের নাম পরিচয় নিশ্চিত করেন তারা। এরমধ্যে ৫ জনকে মুক্তিপণ পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দেয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জিম্মি জেলেদের কয়েক স্বজন জানান, এখনো পর্যন্ত জলদস্যুরা মুক্তিপণের কোন অংক জানায়নি। হয়তোবা মোবাইলের নেটওয়ার্কের মধ্যে ফিরে তারা মুক্তিপণ দাবি করতে পারে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান জানান, জেলে অপহরণের বিষয়টি কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান বলেন, " অপহরণের শিকার কোনো জেলের পরিবারের সদস্যরা এখনও তাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে লোক মুখে বিষয়টি জানার পর ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"
লোড হচ্ছে...