নারায়ণগঞ্জ
সোহাগ অপহরণে জড়িত প্রতিষ্ঠানেরই দুই স্টাফ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহাগকে অপহরণ মামলার তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ভুক্তভোগীর নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই বিশ্বস্ত কর্মচারী—রতন ও সাব্বিরকে এই ঘটনার সরাসরি সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার প্রধান আসামি এবং অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী আল আমিন ওরফে জিতু এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
মামলার ছায়া তদন্ত ও পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রতন ও সাব্বির মীম শরৎ গ্রুপে কর্মরত থাকাকালীন মো. সোহাগের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই সুযোগে তাঁরা ব্যবসায়ীর গতিবিধি, সময়সূচি এবং ব্যক্তিগত চলাচলের সব তথ্য অপহরণকারীদের নিয়মিত সরবরাহ করতেন। তাঁদের দেওয়া ‘ইনসাইড ইনফরমেশন’ বা অভ্যন্তরীণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই গত ১ জুন ২০২৫ তারিখে সরকারি তোলারাম কলেজের সামনে থেকে সোহাগকে অপহরণ করা হয়। এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের সর্বশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, মামলার প্রধান আসামি জিতু পলাতক থাকলেও জামিনে মুক্ত হওয়া চার আসামি তার সঙ্গে যোগসাজশ রক্ষা করছেন। বিভিন্ন অজ্ঞাত নম্বর থেকে নিয়মিতভাবে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পোদ্যোক্তার ওপর এমন অব্যাহত হুমকি স্থানীয় ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্যও নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ভুক্তভোগী দ্রুত মূলহোতা জিতুকে গ্রেপ্তার এবং জামিনপ্রাপ্তদের জামিন বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, অপহরণের ঘটনার পর মো. সোহাগের স্ত্রী মোসাঃ তানিয়া আহম্মেদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–১২(০৬)২৫)। ইতিপূর্বে পুলিশ মামলার ২ নম্বর আসামি মো. সাকিব হোসেন, ৩ নম্বর আসামি মো. কবির হালদার, ৪ নম্বর আসামি মো. ছাহাদ এবং ৫ নম্বর আসামি ইমরান হোসেন মোহনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে আল আমিন ওরফে জিতুকে এই অপহরণের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। পলাতক প্রধান আসামি জিতুকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জামিনে থাকা আসামিরা যদি জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করে ভুক্তভোগীকে হুমকি প্রদান করে, তবে তাঁদের জামিন বাতিলের প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহাগকে অপহরণ মামলার তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ভুক্তভোগীর নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই বিশ্বস্ত কর্মচারী—রতন ও সাব্বিরকে এই ঘটনার সরাসরি সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার প্রধান আসামি এবং অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী আল আমিন ওরফে জিতু এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
মামলার ছায়া তদন্ত ও পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রতন ও সাব্বির মীম শরৎ গ্রুপে কর্মরত থাকাকালীন মো. সোহাগের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই সুযোগে তাঁরা ব্যবসায়ীর গতিবিধি, সময়সূচি এবং ব্যক্তিগত চলাচলের সব তথ্য অপহরণকারীদের নিয়মিত সরবরাহ করতেন। তাঁদের দেওয়া ‘ইনসাইড ইনফরমেশন’ বা অভ্যন্তরীণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই গত ১ জুন ২০২৫ তারিখে সরকারি তোলারাম কলেজের সামনে থেকে সোহাগকে অপহরণ করা হয়। এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের সর্বশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, মামলার প্রধান আসামি জিতু পলাতক থাকলেও জামিনে মুক্ত হওয়া চার আসামি তার সঙ্গে যোগসাজশ রক্ষা করছেন। বিভিন্ন অজ্ঞাত নম্বর থেকে নিয়মিতভাবে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পোদ্যোক্তার ওপর এমন অব্যাহত হুমকি স্থানীয় ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্যও নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ভুক্তভোগী দ্রুত মূলহোতা জিতুকে গ্রেপ্তার এবং জামিনপ্রাপ্তদের জামিন বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, অপহরণের ঘটনার পর মো. সোহাগের স্ত্রী মোসাঃ তানিয়া আহম্মেদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–১২(০৬)২৫)। ইতিপূর্বে পুলিশ মামলার ২ নম্বর আসামি মো. সাকিব হোসেন, ৩ নম্বর আসামি মো. কবির হালদার, ৪ নম্বর আসামি মো. ছাহাদ এবং ৫ নম্বর আসামি ইমরান হোসেন মোহনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে আল আমিন ওরফে জিতুকে এই অপহরণের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। পলাতক প্রধান আসামি জিতুকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জামিনে থাকা আসামিরা যদি জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করে ভুক্তভোগীকে হুমকি প্রদান করে, তবে তাঁদের জামিন বাতিলের প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লোড হচ্ছে...