রাজনীতি
১৮ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ছাত্র ফেডারেশনের স্মারকলিপি
NHP NewsView

নিউজভিউ
সারাদেশে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন নির্মূলে ১৮ দফা দাবি নিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। টানা তিন দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচির পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন শেষে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক এ সময় দাবিগুলোর প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ‘যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল’ গঠন ও তা কার্যকর করার আশ্বাস দিয়েছেন।
মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, নারী ও শিশুদের ওপর যৌন সহিংসতা বর্তমানে মহামারীর আকার ধারণ করেছে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্ষণ নির্মূলে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন যৌন নিপীড়ন নির্মূল কমিশন গঠনসহ ১৮টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল সক্রিয় করা, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি, মেডিকেল রিপোর্টের দ্রুত প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং সিডো সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তাদের উত্থাপিত অন্য দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে পুলিশ, আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য বাধ্যতামূলক জেন্ডার সংবেদনশীলতা প্রশিক্ষণ চালু করা, সব জেলায় ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার স্থাপন, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় খরচে চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, তদন্তকালে ভিকটিমকে মানসিক হয়রানি বন্ধ করা এবং নারীবিদ্বেষী প্রচারণাসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর প্রয়োগ। এছাড়া পাঠ্যপুস্তক থেকে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক বিষয়গুলো বর্জন করা, সালিশের নামে বিচার ধামাচাপা দেওয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং তদন্তে কোনো কর্মকর্তার অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে বরখাস্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন বিরোধী সেল গঠন ও তা নিয়মিত মনিটরিং করার ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার মধ্য দিয়ে ছাত্র ফেডারেশনের এই দফার কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। কর্মসূচিটি সঞ্চালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সেন। এ সময় সংগঠনের জেলা সহ-সভাপতি সৃজয় সাহা ও ইউশা ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন মৃধা, অর্থ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস নিসা, দপ্তর সম্পাদক শেখ সাদী, রাজনৈতিক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মুন্নি আক্তার প্রত্যাশা, তোলারাম কলেজ শাখার আহ্বায়ক রাইসা ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সারাদেশে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন নির্মূলে ১৮ দফা দাবি নিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। টানা তিন দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচির পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন শেষে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক এ সময় দাবিগুলোর প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ‘যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল’ গঠন ও তা কার্যকর করার আশ্বাস দিয়েছেন।
মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, নারী ও শিশুদের ওপর যৌন সহিংসতা বর্তমানে মহামারীর আকার ধারণ করেছে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্ষণ নির্মূলে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন যৌন নিপীড়ন নির্মূল কমিশন গঠনসহ ১৮টি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল সক্রিয় করা, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি, মেডিকেল রিপোর্টের দ্রুত প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং সিডো সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তাদের উত্থাপিত অন্য দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে পুলিশ, আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য বাধ্যতামূলক জেন্ডার সংবেদনশীলতা প্রশিক্ষণ চালু করা, সব জেলায় ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার স্থাপন, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় খরচে চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, তদন্তকালে ভিকটিমকে মানসিক হয়রানি বন্ধ করা এবং নারীবিদ্বেষী প্রচারণাসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর প্রয়োগ। এছাড়া পাঠ্যপুস্তক থেকে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক বিষয়গুলো বর্জন করা, সালিশের নামে বিচার ধামাচাপা দেওয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং তদন্তে কোনো কর্মকর্তার অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে বরখাস্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন বিরোধী সেল গঠন ও তা নিয়মিত মনিটরিং করার ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার মধ্য দিয়ে ছাত্র ফেডারেশনের এই দফার কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। কর্মসূচিটি সঞ্চালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সেন। এ সময় সংগঠনের জেলা সহ-সভাপতি সৃজয় সাহা ও ইউশা ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন মৃধা, অর্থ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস নিসা, দপ্তর সম্পাদক শেখ সাদী, রাজনৈতিক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মুন্নি আক্তার প্রত্যাশা, তোলারাম কলেজ শাখার আহ্বায়ক রাইসা ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...