জাতীয়
নবীনগর পৌরসভা
নির্বাহী কর্মকর্তার অনিয়মিত সেবায় বাড়ছে ভোগান্তি
NewsView

সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা ও কর্মকর্তাদের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার অনুপস্থিতি এবং দপ্তরের চেইন অফ কমান্ডে শিথিলতার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নবীনগর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খান পারিবারিক কারণে ৪ মে থেকে ছুটির আবেদন করেছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি নির্ধারিত ছুটির কয়েকদিন আগে থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তার এমন অনুপস্থিতির প্রভাবে পৌরসভার অন্যান্য বিভাগেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রধান কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন না এবং কেউ কেউ অফিস সময় শেষ হওয়ার আগেই কর্মস্থল ত্যাগ করছেন।
পৌরসভায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানান, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রে স্বাক্ষর বা প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মচারী জানান, নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে প্রশাসনিক তদারকি না থাকায় দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে, যা সরাসরি গণকর্মচারী শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মাহামুদুল হাসান জানান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়মিত অফিস করা বাধ্যতামূলক। পৌরসভার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
স্থানীয়রা দ্রুত এই পরিস্থিতির উত্তরণ এবং নিরবচ্ছিন্ন পৌর সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা ও কর্মকর্তাদের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার অনুপস্থিতি এবং দপ্তরের চেইন অফ কমান্ডে শিথিলতার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নবীনগর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খান পারিবারিক কারণে ৪ মে থেকে ছুটির আবেদন করেছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি নির্ধারিত ছুটির কয়েকদিন আগে থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তার এমন অনুপস্থিতির প্রভাবে পৌরসভার অন্যান্য বিভাগেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রধান কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন না এবং কেউ কেউ অফিস সময় শেষ হওয়ার আগেই কর্মস্থল ত্যাগ করছেন।
পৌরসভায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানান, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রে স্বাক্ষর বা প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মচারী জানান, নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে প্রশাসনিক তদারকি না থাকায় দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে, যা সরাসরি গণকর্মচারী শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মাহামুদুল হাসান জানান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়মিত অফিস করা বাধ্যতামূলক। পৌরসভার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
স্থানীয়রা দ্রুত এই পরিস্থিতির উত্তরণ এবং নিরবচ্ছিন্ন পৌর সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...