নারায়ণগঞ্জসদর
নারায়ণগঞ্জে রাজনৈতিক লেবাসে ফ্যামিলি কার্ড বাণিজ্য, পুলিশের খাঁচায় স্বামী-স্ত্রী
NewsView

নিউজভিউ
নিজের মুদি দোকানের পণ্য বেশি বিক্রির জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নাম দিয়ে একটি বিশেষ ছাড়ের অফার চালু করেছিলেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দোকানি মো. রাসেল। তবে এই ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক কৌশলকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচির গুজব ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টির ব্যাখ্যা জানতে রাসেল ও তাঁর স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কাশিপুরের উত্তর নরসিংহপুর বকুলতলা এলাকা থেকে তাঁদের থানায় নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ‘ক’ সার্কেল) মো. হাসিনুজ্জামান জানান, মূলত দোকানের বেচাকেনা বাড়াতে একটি অভিনব কৌশল নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী রাসেল। তিনি চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের ১ হাজার ৭৬৫ টাকার একটি প্যাকেজ ১ হাজার ২৮৫ টাকায় বিক্রির জন্য ‘জিসান ট্রেডার্স’ নামে কিছু কার্ড ছাপান। প্রতিটি কার্ড ৫০ টাকার বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করছিলেন তিনি। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, ওই কার্ডের কোথাও কোনো রাজনৈতিক দলের নাম বা লোগো ছিল না।
রাসেল নিজেকে ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে এটি দলের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অংশ বলে ভুল ধারণা তৈরি হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নামে। কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফ মন্ডল জানান, এই কার্যক্রমের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং রাসেল দলের কোনো সাংগঠনিক সদস্যও নন। মূলত রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পণ্য বিক্রির প্রচার চালানোয় এই বিভ্রান্তি বড় হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা হাসিনুজ্জামান স্পষ্ট করেছেন যে, এটি রাসেলের একটি ব্যবসায়িক ‘মার্কেটিং কৌশল’ ছাড়া আর কিছু নয়। তবে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় অধিকতর নিশ্চিত হতে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জব্দকৃত কার্ডগুলো যাচাই শেষে তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণই একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক উদ্যোগ ছিল যা ভুলভাবে প্রচারিত হয়েছে।
নিজের মুদি দোকানের পণ্য বেশি বিক্রির জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নাম দিয়ে একটি বিশেষ ছাড়ের অফার চালু করেছিলেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দোকানি মো. রাসেল। তবে এই ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক কৌশলকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচির গুজব ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টির ব্যাখ্যা জানতে রাসেল ও তাঁর স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কাশিপুরের উত্তর নরসিংহপুর বকুলতলা এলাকা থেকে তাঁদের থানায় নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ‘ক’ সার্কেল) মো. হাসিনুজ্জামান জানান, মূলত দোকানের বেচাকেনা বাড়াতে একটি অভিনব কৌশল নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী রাসেল। তিনি চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের ১ হাজার ৭৬৫ টাকার একটি প্যাকেজ ১ হাজার ২৮৫ টাকায় বিক্রির জন্য ‘জিসান ট্রেডার্স’ নামে কিছু কার্ড ছাপান। প্রতিটি কার্ড ৫০ টাকার বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করছিলেন তিনি। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, ওই কার্ডের কোথাও কোনো রাজনৈতিক দলের নাম বা লোগো ছিল না।
রাসেল নিজেকে ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে এটি দলের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অংশ বলে ভুল ধারণা তৈরি হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নামে। কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফ মন্ডল জানান, এই কার্যক্রমের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং রাসেল দলের কোনো সাংগঠনিক সদস্যও নন। মূলত রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পণ্য বিক্রির প্রচার চালানোয় এই বিভ্রান্তি বড় হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা হাসিনুজ্জামান স্পষ্ট করেছেন যে, এটি রাসেলের একটি ব্যবসায়িক ‘মার্কেটিং কৌশল’ ছাড়া আর কিছু নয়। তবে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় অধিকতর নিশ্চিত হতে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জব্দকৃত কার্ডগুলো যাচাই শেষে তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণই একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক উদ্যোগ ছিল যা ভুলভাবে প্রচারিত হয়েছে।
লোড হচ্ছে...