সারা দেশ
সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা
নৌকা-জাল মেরামতে ব্যস্ত উপকূলের জেলেরা
NewsView
.jpeg)
পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় নৌকা মেরামত করা হচ্ছে
নিউজভিউ ডেস্ক
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ চলায় উপকূলের জেলেরা বেকার সময় কাটাচ্ছে। তবে এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে তারা তাদের মাছ ধরার সমুদ্রগামী নৌকা সংস্কার ও মেরামতের কাজ করছেন। আগামী ১১ জুন এ অবরোধ প্রত্যাহারের পর নতুন উদ্যমে মাছ ধরতে যাওয়ার আগে বিভিন্ন মৎস্য বন্দর ও জেলেপল্লির আশপাশে নৌকা, জাল মেরামত ও অন্যান্য প্রস্তুতি গ্রহণে জেলেরা বর্তমানে ব্যস্ত।
এই ব্যস্ততা যেসব এলাকায় দেখা মেলে তার মধ্যে অন্যতম পিরোজপুরের পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর। এছাড়াও সমুদ্র উপকূলের বরগুনার পাথরঘাটা, চরদোয়ানী, নিদ্রা সখিনা, কলাপাড়ার মহিপুর, আলীপুর, বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা ইত্যাদি এলাকার মৎস্য বন্দর ও জেলেপল্লিগুলোতে বিভিন্ন ছোট ছোট ডকইয়ার্ডে মেরামত কাজ চলছে।
পিরোজপুরের পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে কয়েকটি ডকইয়ার্ডে জেলেদের নৌকা মেরামতের কাজ চলছে। কোথাও নৌকার তলা ঠিক করা হচ্ছে, কোথাও নতুন কাঠ লাগানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) পাড়েরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক কৌশিক আহমেদ জানান, মাছের প্রজননের জন্য সরকার প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখে। বর্তমানে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনব্যাপী বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ বন্ধ রয়েছে। এই সময়ে জেলেরা নৌকা মেরামত করে পরবর্তী মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নেন। এতে পরবর্তীতে মাছ ধরার কাজে সুবিধা হয়। পাড়েরহাট এলাকার সন্নিহিত বাদুরা, চিতলিয়া, চরখালী, হেতালিয়া, বালিপাড়া প্রভৃতি এলাকার জেলেপল্লির মৎস্যজীবীরা অবরোধকালে স্থানীয় মিনি ডকইয়ার্ডে তাদের ফিশিং বোটগুলো মেরামত ও সংস্কার করান।
পাড়েরহাট ও বাদুরা এলাকায় চারটি ডকইয়ার্ড রয়েছে। প্রতিটি ডকইয়ার্ডে ১০ থেকে ১৫টি করে নৌকা মেরামতের কাজ চলছে গত এক মাস ধরে। বাদুরা মৎস্যজীবীর কল্যাণ সমিতির সম্পাদক মো. মোস্তফা আকন জানান, সাগরে মাছ ধরার অবরোধ শুরুর পর থেকেই পাড়েরহাট বন্দরের আশপাশে জেলেদের শতাধিক ফিশিং বোট ডকইয়ার্ডে মেরামত করা হচ্ছে।
পাড়েরহাট বাজারের ডকইয়ার্ড মালিক মোহাম্মদ রেজাউল কবির জানান, অবরোধ শুরুর পর তার ডকইয়ার্ডে চারটি যান্ত্রিক নৌকা মেরামতের কাজ শেষ হয়েছে। আরো কয়েকটি নৌকা মেরামতের কাজ চলছে। তিনি বলেন, নৌকা মেরামতে চাম্বল ও কড়ই কাঠ ব্যবহার করা হয়। এই কাঠ পানিতে সহজে নষ্ট হয় না। একটি নৌকা মেরামতে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। তিনি বলেন, জেলে নৌকার মালিকরা এই মেরামতের ব্যয় বহন করেন।
জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের জেলে আনোয়ার হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মেরামত খাতে খরচ বেড়েছে। গত বছর যে কাজে ২০ হাজার টাকা খরচ হতো এবার একই কাজ করতে ২৫ হাজার টাকা লাগছে। সবকিছুর দাম বেড়েছে।
পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের জেলে মো. রাজা মিয়া জানান, তিনি বঙ্গোপসাগরে মৌসুমে ফিশিং বোট নিয়ে মাছ ধরেন। আবার শীত মৌসুমে পাঁচ মাস সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকিপল্লিতে অস্থায়ীভাবে ডিপো ও ঘর বানিয়ে ব্যবসা করেন। এ সময় তার মালিকানাধীন তিনটি ফিশিং বোট বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণে ব্যস্ত থাকে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি শুঁটকিপল্লি থেকে ফিরে তার মত মৎস্যজীবীরা ডকইয়ার্ডে ফিশিং বোটগুলো মেরামত ও সংস্কার করান।
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ চলায় উপকূলের জেলেরা বেকার সময় কাটাচ্ছে। তবে এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে তারা তাদের মাছ ধরার সমুদ্রগামী নৌকা সংস্কার ও মেরামতের কাজ করছেন। আগামী ১১ জুন এ অবরোধ প্রত্যাহারের পর নতুন উদ্যমে মাছ ধরতে যাওয়ার আগে বিভিন্ন মৎস্য বন্দর ও জেলেপল্লির আশপাশে নৌকা, জাল মেরামত ও অন্যান্য প্রস্তুতি গ্রহণে জেলেরা বর্তমানে ব্যস্ত।
এই ব্যস্ততা যেসব এলাকায় দেখা মেলে তার মধ্যে অন্যতম পিরোজপুরের পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর। এছাড়াও সমুদ্র উপকূলের বরগুনার পাথরঘাটা, চরদোয়ানী, নিদ্রা সখিনা, কলাপাড়ার মহিপুর, আলীপুর, বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা ইত্যাদি এলাকার মৎস্য বন্দর ও জেলেপল্লিগুলোতে বিভিন্ন ছোট ছোট ডকইয়ার্ডে মেরামত কাজ চলছে।
পিরোজপুরের পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে কয়েকটি ডকইয়ার্ডে জেলেদের নৌকা মেরামতের কাজ চলছে। কোথাও নৌকার তলা ঠিক করা হচ্ছে, কোথাও নতুন কাঠ লাগানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) পাড়েরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক কৌশিক আহমেদ জানান, মাছের প্রজননের জন্য সরকার প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখে। বর্তমানে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনব্যাপী বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ বন্ধ রয়েছে। এই সময়ে জেলেরা নৌকা মেরামত করে পরবর্তী মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নেন। এতে পরবর্তীতে মাছ ধরার কাজে সুবিধা হয়। পাড়েরহাট এলাকার সন্নিহিত বাদুরা, চিতলিয়া, চরখালী, হেতালিয়া, বালিপাড়া প্রভৃতি এলাকার জেলেপল্লির মৎস্যজীবীরা অবরোধকালে স্থানীয় মিনি ডকইয়ার্ডে তাদের ফিশিং বোটগুলো মেরামত ও সংস্কার করান।
পাড়েরহাট ও বাদুরা এলাকায় চারটি ডকইয়ার্ড রয়েছে। প্রতিটি ডকইয়ার্ডে ১০ থেকে ১৫টি করে নৌকা মেরামতের কাজ চলছে গত এক মাস ধরে। বাদুরা মৎস্যজীবীর কল্যাণ সমিতির সম্পাদক মো. মোস্তফা আকন জানান, সাগরে মাছ ধরার অবরোধ শুরুর পর থেকেই পাড়েরহাট বন্দরের আশপাশে জেলেদের শতাধিক ফিশিং বোট ডকইয়ার্ডে মেরামত করা হচ্ছে।
পাড়েরহাট বাজারের ডকইয়ার্ড মালিক মোহাম্মদ রেজাউল কবির জানান, অবরোধ শুরুর পর তার ডকইয়ার্ডে চারটি যান্ত্রিক নৌকা মেরামতের কাজ শেষ হয়েছে। আরো কয়েকটি নৌকা মেরামতের কাজ চলছে। তিনি বলেন, নৌকা মেরামতে চাম্বল ও কড়ই কাঠ ব্যবহার করা হয়। এই কাঠ পানিতে সহজে নষ্ট হয় না। একটি নৌকা মেরামতে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। তিনি বলেন, জেলে নৌকার মালিকরা এই মেরামতের ব্যয় বহন করেন।
জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের জেলে আনোয়ার হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মেরামত খাতে খরচ বেড়েছে। গত বছর যে কাজে ২০ হাজার টাকা খরচ হতো এবার একই কাজ করতে ২৫ হাজার টাকা লাগছে। সবকিছুর দাম বেড়েছে।
পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের জেলে মো. রাজা মিয়া জানান, তিনি বঙ্গোপসাগরে মৌসুমে ফিশিং বোট নিয়ে মাছ ধরেন। আবার শীত মৌসুমে পাঁচ মাস সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকিপল্লিতে অস্থায়ীভাবে ডিপো ও ঘর বানিয়ে ব্যবসা করেন। এ সময় তার মালিকানাধীন তিনটি ফিশিং বোট বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণে ব্যস্ত থাকে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি শুঁটকিপল্লি থেকে ফিরে তার মত মৎস্যজীবীরা ডকইয়ার্ডে ফিশিং বোটগুলো মেরামত ও সংস্কার করান।
লোড হচ্ছে...