নারায়ণগঞ্জবন্দর
ছাত্রনেতা হানিফের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া
NewsView

নিউজভিউ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) বাদ জোহর বন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ মিয়ার উদ্যোগে এই বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়।
বন্দর ২২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক এই লড়াকু নেতা হানিফ মিয়া।
দোয়া পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হানিফ মিয়া নিজের ওপর ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আমি অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। প্রাণের ভয়ে দেশ ত্যাগ করে দীর্ঘ সময় প্রবাসে মানবেতর জীবন কাটাতে হয়েছে। এমনকি আমাকে না পেয়ে স্বৈরাচারের দোসররা আমার বাড়িতে নানাভাবে হয়রানি করেছে।” তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পালানোর পর তিনি দেশে ফিরতে পেরেছেন। আজ প্রিয় নেত্রীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আলমগীর, জাকির হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন পিংকি, বন্দর থানা যুবদল নেতা ছানোয়ার এবং বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সোহেল প্রধান। এছাড়াও রিপন মিয়া, জাকির মিয়া, বাদল ও রমজানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মোনাজাতে শরিক হন।
অনুষ্ঠানে মাওলানা ও ওলামায়ে কেরামগণ দেশনেত্রীর জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। একইসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) বাদ জোহর বন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ মিয়ার উদ্যোগে এই বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়।
বন্দর ২২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক এই লড়াকু নেতা হানিফ মিয়া।
দোয়া পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হানিফ মিয়া নিজের ওপর ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আমি অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। প্রাণের ভয়ে দেশ ত্যাগ করে দীর্ঘ সময় প্রবাসে মানবেতর জীবন কাটাতে হয়েছে। এমনকি আমাকে না পেয়ে স্বৈরাচারের দোসররা আমার বাড়িতে নানাভাবে হয়রানি করেছে।” তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পালানোর পর তিনি দেশে ফিরতে পেরেছেন। আজ প্রিয় নেত্রীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আলমগীর, জাকির হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন পিংকি, বন্দর থানা যুবদল নেতা ছানোয়ার এবং বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সোহেল প্রধান। এছাড়াও রিপন মিয়া, জাকির মিয়া, বাদল ও রমজানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মোনাজাতে শরিক হন।
অনুষ্ঠানে মাওলানা ও ওলামায়ে কেরামগণ দেশনেত্রীর জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। একইসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়।
লোড হচ্ছে...