আন্তর্জাতিক
মাদুরোর পর টার্গেট কিউবা: ট্রাম্প কি আসন্ন হিটলার!
NewsView
নিউজভিউ ডেক্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কিউবাকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণভাবে অধিগ্রহণ’ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। শুক্রবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উচ্চ পর্যায়ে কাজ করছেন।
টেক্সাস সফরে যাওয়ার আগে ট্রাম্প বলেন, কিউবা সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ চলছে এবং দেশটি বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। তাঁর ভাষায়, কিউবার কাছে এখন অর্থ, তেল ও খাদ্যের ঘাটতি রয়েছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইছে।
ট্রাম্প কিউবাকে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে এমন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেশটির সমস্যার কথা শুনে আসছেন। তিনি আরও বলেন, “আমি এটা ঘটতে দেখতে পারি। মার্কো রুবিও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন এবং খুব উচ্চ পর্যায়ে এটি দেখা হচ্ছে।”
তবে রাজধানী হাভানা থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে না। যদিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে সাবেক কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো -এর নাতি রাউল গুইলারমো রদ্রিগেজ কাস্ত্রো -এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন—এ বিষয়টি হাভানা সরাসরি অস্বীকারও করেনি।
এ মাসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মার্কো রুবিও কিউবার সাবেক নেতার নাতির সঙ্গে গোপন আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি মাইঅ্যামি হেরাল্ড -এর খবরে বলা হয়েছে, রুবিওর ঘনিষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা এ সপ্তাহে সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নিভিস -এ অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক ক্যারিবিয়ান কমিউনিটি (কারিকম) সম্মেলনের ফাঁকে আবারও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এদিকে সাম্প্রতিক এক ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। কিউবা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লোরিডার একটি স্পিডবোটে করে কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করে কিউবার টহল দলের ওপর গুলি চালায় একদল নির্বাসীত কিউবান। এ ঘটনায় কিউবা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হন। তবে রুবিও বলেছেন, এটি কোনো মার্কিন সরকারি অভিযান ছিল না এবং এতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কেউ জড়িত ছিলেন না।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এর আগে গত মাসে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকো’লাস মাদুরো -কে আটক করে—যিনি কিউবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কো রুবিও কিউবা সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি টেকসই নয় এবং সেখানে ‘নাটকীয় পরিবর্তন’ প্রয়োজন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাইঅ্যামি শহরে বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক নির্বাসীত কিউবান দীর্ঘদিন ধরে কিউবার সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছেন। অতীতে তারা প্রয়াত বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধেও পরিকল্পনা করেছিলেন,
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অনেক কিউবান আছেন, যারা নিজ দেশে ফিরতে চান। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতার পরিবর্তন হলে তা দেশ থেকে বিতাড়িত মানুষের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।
উল্লেখ্য যে, ১৯৫৯ সালে বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো এবং তার সহযোগীদের নেতৃত্বে বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র কিউবা প্রতিষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চলে আসছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে তেল ও খাদ্য সরবরাহ সীমিত হওয়ার কারণে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কিউবাকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণভাবে অধিগ্রহণ’ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। শুক্রবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উচ্চ পর্যায়ে কাজ করছেন।
টেক্সাস সফরে যাওয়ার আগে ট্রাম্প বলেন, কিউবা সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ চলছে এবং দেশটি বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। তাঁর ভাষায়, কিউবার কাছে এখন অর্থ, তেল ও খাদ্যের ঘাটতি রয়েছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইছে।
ট্রাম্প কিউবাকে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে এমন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেশটির সমস্যার কথা শুনে আসছেন। তিনি আরও বলেন, “আমি এটা ঘটতে দেখতে পারি। মার্কো রুবিও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন এবং খুব উচ্চ পর্যায়ে এটি দেখা হচ্ছে।”
তবে রাজধানী হাভানা থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে না। যদিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে সাবেক কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো -এর নাতি রাউল গুইলারমো রদ্রিগেজ কাস্ত্রো -এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন—এ বিষয়টি হাভানা সরাসরি অস্বীকারও করেনি।
এ মাসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মার্কো রুবিও কিউবার সাবেক নেতার নাতির সঙ্গে গোপন আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি মাইঅ্যামি হেরাল্ড -এর খবরে বলা হয়েছে, রুবিওর ঘনিষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা এ সপ্তাহে সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নিভিস -এ অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক ক্যারিবিয়ান কমিউনিটি (কারিকম) সম্মেলনের ফাঁকে আবারও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এদিকে সাম্প্রতিক এক ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। কিউবা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লোরিডার একটি স্পিডবোটে করে কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করে কিউবার টহল দলের ওপর গুলি চালায় একদল নির্বাসীত কিউবান। এ ঘটনায় কিউবা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হন। তবে রুবিও বলেছেন, এটি কোনো মার্কিন সরকারি অভিযান ছিল না এবং এতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কেউ জড়িত ছিলেন না।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এর আগে গত মাসে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকো’লাস মাদুরো -কে আটক করে—যিনি কিউবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কো রুবিও কিউবা সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি টেকসই নয় এবং সেখানে ‘নাটকীয় পরিবর্তন’ প্রয়োজন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাইঅ্যামি শহরে বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক নির্বাসীত কিউবান দীর্ঘদিন ধরে কিউবার সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছেন। অতীতে তারা প্রয়াত বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধেও পরিকল্পনা করেছিলেন,
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অনেক কিউবান আছেন, যারা নিজ দেশে ফিরতে চান। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতার পরিবর্তন হলে তা দেশ থেকে বিতাড়িত মানুষের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।
উল্লেখ্য যে, ১৯৫৯ সালে বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো এবং তার সহযোগীদের নেতৃত্বে বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র কিউবা প্রতিষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চলে আসছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে তেল ও খাদ্য সরবরাহ সীমিত হওয়ার কারণে।
লোড হচ্ছে...