নারায়ণগঞ্জসদর
গৌরবময় বিশ বছর পেরিয়ে একুশ বছরে বৈশাখী টেলিভিশন
NewsView

নিউজ ভিউ
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা যখন একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক স্তম্ভকে শক্তিশালী করে, তখন গণমাধ্যমের পথচলা হয়ে ওঠে ইতিহাসের সাক্ষী। বাঙালি সংস্কৃতি ও জনমানুষের কথা বলার অঙ্গীকার নিয়ে দুই দশক আগে যাত্রা শুরু করা বৈশাখী টেলিভিশন আজ পা রাখলো একুশ বছরে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি কেবল উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি রূপ নিয়েছিল আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও স্বৈরাচারী ব্যবস্থার চিরস্থায়ী বিলুপ্তির এক গঠনমূলক সংলাপে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই আয়োজন থেকে ধ্বনিত হয়েছে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও গণভোটের মাধ্যমে নতুন সংবিধান গড়ার বলিষ্ঠ আহ্বান।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বৈশাখী টেলিভিশনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করার মতো সংবাদ প্রকাশের সক্ষমতা বৈশাখী টিভির আছে। বৈষম্য ও সমাজের অন্যায়-অবিচার দূর করতে বৈশাখী টেলিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা অতীতে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এবার নির্বাচনে আমরা ভোট দেওয়ার অধিকার পাব। জেনে-বুঝে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের মালিক হিসেবে আমাদের সুযোগ হবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার। ভবিষ্যতে সংবিধানে কী কী থাকবে, সেসব বিষয় নিয়েই গণভোট হবে।”
তিনি আরও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “চারটি প্যাকেজে মোট ৪৮টি বিষয় রয়েছে, যাতে আর কোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও স্বৈরাচারী ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। এই গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে—এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে নাকি বিলুপ্ত হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে সংস্কার, আর ‘না’ ভোট মানে আগের মতোই চলা।”
বৈশাখী টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম রফিকের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবদুল জাব্বার, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুমন রেজা, দৈনিক সংবাদের চিফ রিপোর্টার সালাম জুবায়ের, নারায়ণগঞ্জ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাফিজ আশরাফ, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হুসাইন স্মিথ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এ টি এম কামাল, ন্যাপ নেতা অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান শ্যামল ও বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল আলম জাহিদ।
এর আগে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে কেক কাটার মাধ্যমে ২১ বছরে পদার্পণের উৎসব শুরু হয়। বক্তারা বৈশাখী টেলিভিশনের বিগত ২০ বছরের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা করে বলেন, চ্যানেলটি দীর্ঘ সময় ধরে দর্শকের যে আস্থা অর্জন করেছে, তা যেন ভবিষ্যতেও বজায় থাকে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, বৈশাখী টেলিভিশন আগামী দিনেও গণমানুষের অধিকার আদায়ে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা যখন একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক স্তম্ভকে শক্তিশালী করে, তখন গণমাধ্যমের পথচলা হয়ে ওঠে ইতিহাসের সাক্ষী। বাঙালি সংস্কৃতি ও জনমানুষের কথা বলার অঙ্গীকার নিয়ে দুই দশক আগে যাত্রা শুরু করা বৈশাখী টেলিভিশন আজ পা রাখলো একুশ বছরে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি কেবল উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি রূপ নিয়েছিল আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও স্বৈরাচারী ব্যবস্থার চিরস্থায়ী বিলুপ্তির এক গঠনমূলক সংলাপে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই আয়োজন থেকে ধ্বনিত হয়েছে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও গণভোটের মাধ্যমে নতুন সংবিধান গড়ার বলিষ্ঠ আহ্বান।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বৈশাখী টেলিভিশনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করার মতো সংবাদ প্রকাশের সক্ষমতা বৈশাখী টিভির আছে। বৈষম্য ও সমাজের অন্যায়-অবিচার দূর করতে বৈশাখী টেলিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা অতীতে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এবার নির্বাচনে আমরা ভোট দেওয়ার অধিকার পাব। জেনে-বুঝে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের মালিক হিসেবে আমাদের সুযোগ হবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার। ভবিষ্যতে সংবিধানে কী কী থাকবে, সেসব বিষয় নিয়েই গণভোট হবে।”
তিনি আরও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “চারটি প্যাকেজে মোট ৪৮টি বিষয় রয়েছে, যাতে আর কোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও স্বৈরাচারী ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। এই গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে—এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে নাকি বিলুপ্ত হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে সংস্কার, আর ‘না’ ভোট মানে আগের মতোই চলা।”
বৈশাখী টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম রফিকের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবদুল জাব্বার, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুমন রেজা, দৈনিক সংবাদের চিফ রিপোর্টার সালাম জুবায়ের, নারায়ণগঞ্জ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাফিজ আশরাফ, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হুসাইন স্মিথ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এ টি এম কামাল, ন্যাপ নেতা অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান শ্যামল ও বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল আলম জাহিদ।
এর আগে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে কেক কাটার মাধ্যমে ২১ বছরে পদার্পণের উৎসব শুরু হয়। বক্তারা বৈশাখী টেলিভিশনের বিগত ২০ বছরের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা করে বলেন, চ্যানেলটি দীর্ঘ সময় ধরে দর্শকের যে আস্থা অর্জন করেছে, তা যেন ভবিষ্যতেও বজায় থাকে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, বৈশাখী টেলিভিশন আগামী দিনেও গণমানুষের অধিকার আদায়ে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।
লোড হচ্ছে...