নারায়ণগঞ্জবন্দর
নারায়ণগঞ্জে কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে কুমিল্লায় যুবক আটক
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বাসযাত্রী এক কিশোরীর সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার এজাহারনামীয় এক মূল আসামিকে আটক করেছে র্যাব। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব-১১।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ নভেম্বর কিশোরীটি সোনারগাঁ থেকে ঢাকার গেন্ডারিয়া যাওয়ার জন্য বাসে ওঠে। এ সময় বাসের হেলপার রানা (৩২) ওই কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে সখ্যতা গড়ে তোলে। কিশোরী যাত্রাবাড়ী নামতে চাইলেও রানা তাকে বিভিন্ন কথার ফাঁদে ফেলে সেখানে না নামিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে বন্দরের মদনপুর এলাকায় নিয়ে আসে। এরপর রানা ও তার সহযোগী আল আমিন (২৮) মিলে কিশোরীকে বন্দরের ধামগড় ইউনিয়নের চৌড়ারবাড়ি এলাকায় আল আমিনের বাড়িতে আটকে রাখে।
অভিযোগে বলা হয়, রাতে তাদের সঙ্গে আরও একজন যোগ দেয় এবং ২২ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১টা থেকে ২টার মধ্যে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একে একে তারা গণধর্ষণ করে। একাধিকবার ধর্ষণের পর তারা বাইরে গেলে রাতে কিশোরীটি কৌশলে পালিয়ে স্থানীয় আজহারুল ইসলাম নামে একজনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। কিশোরী ঘটনাটি খুলে বললে স্থানীয়রা তাকে নিয়ে বন্দর থানায় যায়। পরে পুলিশ কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি গণধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা রুজু হওয়ার পর এজাহারনামীয় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এর ধারাবাহিকতায় র্যাব-১১ এবং সিপিসি-২, কুমিল্লা-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ ডিসেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট থানার লাঙ্গলকোট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ০২ নং আসামি আল-আমিন (২৮), পিতা-আবু হানিফ, সাং-চেরার বাড়ী, থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে আসামিকে আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায়।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বাসযাত্রী এক কিশোরীর সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার এজাহারনামীয় এক মূল আসামিকে আটক করেছে র্যাব। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব-১১।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ নভেম্বর কিশোরীটি সোনারগাঁ থেকে ঢাকার গেন্ডারিয়া যাওয়ার জন্য বাসে ওঠে। এ সময় বাসের হেলপার রানা (৩২) ওই কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে সখ্যতা গড়ে তোলে। কিশোরী যাত্রাবাড়ী নামতে চাইলেও রানা তাকে বিভিন্ন কথার ফাঁদে ফেলে সেখানে না নামিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে বন্দরের মদনপুর এলাকায় নিয়ে আসে। এরপর রানা ও তার সহযোগী আল আমিন (২৮) মিলে কিশোরীকে বন্দরের ধামগড় ইউনিয়নের চৌড়ারবাড়ি এলাকায় আল আমিনের বাড়িতে আটকে রাখে।
অভিযোগে বলা হয়, রাতে তাদের সঙ্গে আরও একজন যোগ দেয় এবং ২২ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১টা থেকে ২টার মধ্যে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একে একে তারা গণধর্ষণ করে। একাধিকবার ধর্ষণের পর তারা বাইরে গেলে রাতে কিশোরীটি কৌশলে পালিয়ে স্থানীয় আজহারুল ইসলাম নামে একজনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। কিশোরী ঘটনাটি খুলে বললে স্থানীয়রা তাকে নিয়ে বন্দর থানায় যায়। পরে পুলিশ কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি গণধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা রুজু হওয়ার পর এজাহারনামীয় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এর ধারাবাহিকতায় র্যাব-১১ এবং সিপিসি-২, কুমিল্লা-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ ডিসেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট থানার লাঙ্গলকোট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ০২ নং আসামি আল-আমিন (২৮), পিতা-আবু হানিফ, সাং-চেরার বাড়ী, থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে আসামিকে আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায়।
লোড হচ্ছে...