জাতীয়
কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়ক উন্নয়নের আশ্বাস সড়কমন্ত্রীর
NewsView4
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের উন্নয়ন কাজের অতি শীঘ্রই দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য মো. আবুল হাসনাতের জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করার বৃহৎ প্রকল্পটি আপাতত বৈদেশিক অর্থায়নের বাইরে চলে গেলেও সরকার বিকল্প অর্থায়নের পথ খুঁজছে।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অংশ হিসেবে চিহ্নিত দেবিদ্বার, কংশনগর ও ভিংলাবাড়ী এলাকায় মোট ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজ চলছে। পাশাপাশি পিরিয়ডিক মেইনটেন্যান্স কর্মসূচির আওতায় ময়নামতি, ফুলগাছতলা, কোম্পানিগঞ্জ, কাঠেরপুল ও কুটিচৌমুহনীসহ বিভিন্ন স্থানে আরও ১ হাজার ৮৪৫ মিটার সড়ক প্রশস্ত ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া কুমিল্লা থেকে দেবিদ্বার পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়ক ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করার কাজ দ্রুত শুরু করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং মহাসড়কের চূড়ান্ত নকশা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল হবে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করার বৃহৎ প্রকল্পটি আপাতত বৈদেশিক অর্থায়নের বাইরে চলে গেলেও সরকার বিকল্প অর্থায়নের পথ খুঁজছে।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অংশ হিসেবে চিহ্নিত দেবিদ্বার, কংশনগর ও ভিংলাবাড়ী এলাকায় মোট ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজ চলছে। পাশাপাশি পিরিয়ডিক মেইনটেন্যান্স কর্মসূচির আওতায় ময়নামতি, ফুলগাছতলা, কোম্পানিগঞ্জ, কাঠেরপুল ও কুটিচৌমুহনীসহ বিভিন্ন স্থানে আরও ১ হাজার ৮৪৫ মিটার সড়ক প্রশস্ত ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া কুমিল্লা থেকে দেবিদ্বার পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়ক ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করার কাজ দ্রুত শুরু করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং মহাসড়কের চূড়ান্ত নকশা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল হবে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
লোড হচ্ছে...