রাজনীতি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তরিকুল সুজনের শোক
NewsView

নিউজ ভিউ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বেগম জিয়ার মৃত্যু এদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করবে।
তরিকুল সুজন তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বেগম খালেদা জিয়া একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন। এরশাদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অনমনীয় সাহসের প্রতীক হয়ে তিনি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং জনগণের কাছে 'আপসহীন নেত্রী' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর দৃঢ় ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয়।
তিনি আরও বলেন, ১/১১ সরকারের সময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এমনকি বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধেও তিনি ছিলেন মানুষের সাহসের উৎস। নানা নির্যাতন ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েও তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন বর্জন করে গণঅভ্যুত্থানের পথ তৈরিতে তাঁর সিদ্ধান্ত ছিল অন্যতম নির্ধারক।
তরিকুল সুজন মনে করেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর মৃত্যু জাতীয় জীবনের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বেগম জিয়ার মৃত্যু এদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করবে।
তরিকুল সুজন তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বেগম খালেদা জিয়া একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন। এরশাদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অনমনীয় সাহসের প্রতীক হয়ে তিনি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং জনগণের কাছে 'আপসহীন নেত্রী' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর দৃঢ় ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয়।
তিনি আরও বলেন, ১/১১ সরকারের সময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এমনকি বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধেও তিনি ছিলেন মানুষের সাহসের উৎস। নানা নির্যাতন ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েও তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন বর্জন করে গণঅভ্যুত্থানের পথ তৈরিতে তাঁর সিদ্ধান্ত ছিল অন্যতম নির্ধারক।
তরিকুল সুজন মনে করেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর মৃত্যু জাতীয় জীবনের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
লোড হচ্ছে...