রাজনীতিবন্দর
নেতা ও জনতার মাঝে দুর্ভেদ্য প্রাচীর ভেঙে দেব: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
“এমপিকে জনতার হাতের মুঠোয় নিয়ে আসাই আমার প্রধান অঙ্গীকার”—এই প্রতিজ্ঞা সামনে রেখে ১৮ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বন্দর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি নারায়ণগঞ্জকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলার এই পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তারিকুল ইসলাম এই ইশতেহার ঘোষণা করেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুনসহ আরও অনেকে।
তারিকুল ইসলামের ১৮ দফার ইশতেহারে নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, চাঞ্চল্যকর সাত খুন, মেধাবী ছাত্র ত্বকী, চঞ্চল ও ভুলুসহ সকল হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। নারায়ণগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা। আইসিইউসহ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা। নাগরিক সেবা সহজ করতে ‘সিটিজেন কানেক্ট অ্যাপ’ চালু এবং তরুণদের জন্য ‘হাইটেক পার্ক’ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। সদর-বন্দরকে মেট্রোরেলের আওতায় আনা, ফুটপাত ও পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং আধুনিক ও টোল-মুক্ত নৌকা ঘাট নির্মাণ। নারীদের জন্য বিশেষ স্মার্ট হেলথ কার্ড, নিরাপদ নাইট ট্রান্সপোর্ট ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন। দখল হওয়া জলাশয় ও খেলার মাঠ উদ্ধার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ‘কমিউনিটি হারমনি সেল’ গঠন।
তারিকুল ইসলাম বলেন, “নেতা ও জনতার মাঝে বর্তমানে যে দুর্ভেদ্য প্রাচীর তৈরি হয়েছে, আমি নির্বাচিত হলে তা ভেঙে দেব। নারায়ণগঞ্জকে একটি বিশেষ ক্যাটাগরির জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে একে স্মার্ট ও মানবিক শহর বানানোই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
ইশতেহার ঘোষণা শেষে উপস্থিত ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারিকুল ইসলাম।
“এমপিকে জনতার হাতের মুঠোয় নিয়ে আসাই আমার প্রধান অঙ্গীকার”—এই প্রতিজ্ঞা সামনে রেখে ১৮ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বন্দর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি নারায়ণগঞ্জকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলার এই পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তারিকুল ইসলাম এই ইশতেহার ঘোষণা করেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুনসহ আরও অনেকে।
তারিকুল ইসলামের ১৮ দফার ইশতেহারে নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, চাঞ্চল্যকর সাত খুন, মেধাবী ছাত্র ত্বকী, চঞ্চল ও ভুলুসহ সকল হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। নারায়ণগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা। আইসিইউসহ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা। নাগরিক সেবা সহজ করতে ‘সিটিজেন কানেক্ট অ্যাপ’ চালু এবং তরুণদের জন্য ‘হাইটেক পার্ক’ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। সদর-বন্দরকে মেট্রোরেলের আওতায় আনা, ফুটপাত ও পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং আধুনিক ও টোল-মুক্ত নৌকা ঘাট নির্মাণ। নারীদের জন্য বিশেষ স্মার্ট হেলথ কার্ড, নিরাপদ নাইট ট্রান্সপোর্ট ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন। দখল হওয়া জলাশয় ও খেলার মাঠ উদ্ধার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ‘কমিউনিটি হারমনি সেল’ গঠন।
তারিকুল ইসলাম বলেন, “নেতা ও জনতার মাঝে বর্তমানে যে দুর্ভেদ্য প্রাচীর তৈরি হয়েছে, আমি নির্বাচিত হলে তা ভেঙে দেব। নারায়ণগঞ্জকে একটি বিশেষ ক্যাটাগরির জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে একে স্মার্ট ও মানবিক শহর বানানোই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
ইশতেহার ঘোষণা শেষে উপস্থিত ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারিকুল ইসলাম।
লোড হচ্ছে...