সারা দেশ
বগুড়ায় চালু হচ্ছে আধুনিক কসাইখানা
গরু জবাই থেকে প্রক্রিয়াজাত সব হবে ১ হাজার টাকায়
NewsView6

শহরের জয়পুরপাড়ায় আধুনিক কসাইখানা
নিউজভিউ ডেস্ক
নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনে উন্নত বিশ্বের আদলে চালু হচ্ছে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক কসাইখানা। প্রতিদিন ৩০টি গরু জবাই হলে প্রতিটি মাত্র ১ হাজার টাকা খরচে হাতের স্পর্শ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে গরু জবাই থেকে শুরু করে মাংস প্রক্রিয়াজাতের পুরো কাজ সম্পন্ন হবে সেখানে। একই সঙ্গে পশুর বর্জ্য ব্যবহার করে উৎপাদন করা যাবে বায়োগ্যাসসহ বিভিন্ন উপযোগী উপাদান।
মাংস ব্যবসায়ীদের শ্রম ও সময় বাঁচানো, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং স্বাস্থ্যসম্মত গরুর মাংস পাওয়ার সুবিধার্থে বগুড়া শহরের জয়পুরপাড়া এলাকায় ৫০ শতক জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে এ আধুনিক কসাইখানা। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কসাইখানায় অর্থায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। এই প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সূত্র জানিয়েছে, আধুনিক এ কসাইখানায় স্বাস্থ্যসম্মত ও হালাল উপায়ে পশু জবাই করা হবে। জবাইয়ের পর মাংস কাটাকাটি, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতের বেশির ভাগ কাজই সম্পন্ন হবে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে। এতে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণও কমবে। এখানে পশুর মাংস প্রক্রিয়াজাত ছাড়াও একটি পানি পরিশোধন প্লান্ট (ইটিপি) আছে। এছাড়া, আছে চিলিং হাউজ, পাওয়ার জেনারেটর ও বায়োগ্যাস প্লান্ট। এখানে দুটি দপ্তরের সমন্বয়ে কাজ হবে। পশু জবাই থেকে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের কারিগরি বিষয়টি দেখবে জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগ। আর পরিচালনে থাকবে বগুড়া সিটি করপোরেশন।
গত ১৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে কসাইখানার উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। উদ্বোধন হলেও এটি এখনো কার্যক্রম চালু করেনি। বগুড়া সিটি করপোরেশন এটি পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। যারা কসাইখানায় দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের প্রশিক্ষণ দিবে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস। অত্যাধুনিক এ কসাইখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল বা ভেড়া জবাই করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাংস প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব।
বগুড়া সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, অত্যাধুনিক কসাইখানা সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর হওয়ার পর যত্রতত্র আর গরু-ছাগল জবাই করতে দেওয়া হবে না। এতদিন আধুনিক কসাইখানা না থাকায় যত্রতত্র গরু-ছাগল জবাই করা হতো, এখন থেকে তা আর সম্ভব হবে না। এটি বুঝে পাওয়ার পর এখানে জবাই করা হবে এবং সিটি করপোরেশন থেকে সিল দেওয়া হবে। সিল না থাকলে মাংস না কেনার জন্য জনগণকে সচেতন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, এই কসাইখানায় ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল জবাই ও প্রস্তত করা সম্ভব। এর জন্য আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রয়েছে। ফলে পরিবেশ দূষণের কোনো আশঙ্কা নেই। প্রতিটি গরু এবং ছাগল প্রসেস করতে খরচ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখনো প্রসেস খরচ ঠিক করা হয়নি। ৩০টি গরু প্রসেস করা গেলে গরু প্রতি চার্জ পড়বে ১ হাজার টাকা।
বগুড়া সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রায়হান জানান, পুরোপুরি স্বাস্থ্যসম্মত ও হালাল উপায়ে এখানে পশু জবাই করা হবে। প্রশিক্ষিত একজন মুসলিম ব্যক্তি থাকবেন, যিনি জবাইয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর চামড়া ছাড়ানো, মাংস কাটার কাজ হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এ কসাইখানায় জবাই করা পশুর গোবর দিয়ে নবায়নযোগ্য বায়োগ্যাস উৎপাদনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বগুড়া কসাইখানায় একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসকসহ অন্তত ১২ জন কর্মরত থাকবে। কসাইখানা পরিচালনা করবে বগুড়া সিটি করপোরেশন।
নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনে উন্নত বিশ্বের আদলে চালু হচ্ছে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক কসাইখানা। প্রতিদিন ৩০টি গরু জবাই হলে প্রতিটি মাত্র ১ হাজার টাকা খরচে হাতের স্পর্শ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে গরু জবাই থেকে শুরু করে মাংস প্রক্রিয়াজাতের পুরো কাজ সম্পন্ন হবে সেখানে। একই সঙ্গে পশুর বর্জ্য ব্যবহার করে উৎপাদন করা যাবে বায়োগ্যাসসহ বিভিন্ন উপযোগী উপাদান।
মাংস ব্যবসায়ীদের শ্রম ও সময় বাঁচানো, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং স্বাস্থ্যসম্মত গরুর মাংস পাওয়ার সুবিধার্থে বগুড়া শহরের জয়পুরপাড়া এলাকায় ৫০ শতক জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে এ আধুনিক কসাইখানা। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কসাইখানায় অর্থায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। এই প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সূত্র জানিয়েছে, আধুনিক এ কসাইখানায় স্বাস্থ্যসম্মত ও হালাল উপায়ে পশু জবাই করা হবে। জবাইয়ের পর মাংস কাটাকাটি, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতের বেশির ভাগ কাজই সম্পন্ন হবে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে। এতে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণও কমবে। এখানে পশুর মাংস প্রক্রিয়াজাত ছাড়াও একটি পানি পরিশোধন প্লান্ট (ইটিপি) আছে। এছাড়া, আছে চিলিং হাউজ, পাওয়ার জেনারেটর ও বায়োগ্যাস প্লান্ট। এখানে দুটি দপ্তরের সমন্বয়ে কাজ হবে। পশু জবাই থেকে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের কারিগরি বিষয়টি দেখবে জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগ। আর পরিচালনে থাকবে বগুড়া সিটি করপোরেশন।
গত ১৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে কসাইখানার উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। উদ্বোধন হলেও এটি এখনো কার্যক্রম চালু করেনি। বগুড়া সিটি করপোরেশন এটি পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। যারা কসাইখানায় দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের প্রশিক্ষণ দিবে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস। অত্যাধুনিক এ কসাইখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল বা ভেড়া জবাই করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাংস প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব।
বগুড়া সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, অত্যাধুনিক কসাইখানা সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর হওয়ার পর যত্রতত্র আর গরু-ছাগল জবাই করতে দেওয়া হবে না। এতদিন আধুনিক কসাইখানা না থাকায় যত্রতত্র গরু-ছাগল জবাই করা হতো, এখন থেকে তা আর সম্ভব হবে না। এটি বুঝে পাওয়ার পর এখানে জবাই করা হবে এবং সিটি করপোরেশন থেকে সিল দেওয়া হবে। সিল না থাকলে মাংস না কেনার জন্য জনগণকে সচেতন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, এই কসাইখানায় ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল জবাই ও প্রস্তত করা সম্ভব। এর জন্য আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রয়েছে। ফলে পরিবেশ দূষণের কোনো আশঙ্কা নেই। প্রতিটি গরু এবং ছাগল প্রসেস করতে খরচ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখনো প্রসেস খরচ ঠিক করা হয়নি। ৩০টি গরু প্রসেস করা গেলে গরু প্রতি চার্জ পড়বে ১ হাজার টাকা।
বগুড়া সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রায়হান জানান, পুরোপুরি স্বাস্থ্যসম্মত ও হালাল উপায়ে এখানে পশু জবাই করা হবে। প্রশিক্ষিত একজন মুসলিম ব্যক্তি থাকবেন, যিনি জবাইয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর চামড়া ছাড়ানো, মাংস কাটার কাজ হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এ কসাইখানায় জবাই করা পশুর গোবর দিয়ে নবায়নযোগ্য বায়োগ্যাস উৎপাদনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বগুড়া কসাইখানায় একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসকসহ অন্তত ১২ জন কর্মরত থাকবে। কসাইখানা পরিচালনা করবে বগুড়া সিটি করপোরেশন।
লোড হচ্ছে...