নারায়ণগঞ্জ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে মাসুদুজ্জামান ‘জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না’
NewsView

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী আধিপত্যবাদ এবং বর্তমান সরকারের দমন-নীতির তীব্র সমালোচনা করেন।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, এটি ছিল জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ঐতিহাসিক মাইলফলক। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দেশকে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল এবং বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছিল।
তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং তাঁর নেতৃত্বে দেশে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ ২০০৭ সালের ১/১১-এর অঘোষিত সামরিক শাসনকে 'গণতন্ত্রের গভীর সংকট' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার রাজত্ব কায়েম করেছে।
তাঁর অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বিরোধী মতের ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, "গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি, জননেতা তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক নির্যাতন।" "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর ওপর চালানো হয়েছে ভয়াবহ নিপীড়ন, কারাবরণ, গুম ও খুনের মতো রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে 'আয়নাঘর' নামের এক গোপন নির্যাতন কেন্দ্র, যেখানে বিরোধী মতের মানুষদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে।"
মাসুদুজ্জামান মাসুদ দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছে, এই জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। তিনি জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।" নারায়ণগঞ্জবাসীকে তিনি এই শহরকে 'উন্নয়ন, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার শহর' হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, এটি ছিল জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ঐতিহাসিক মাইলফলক। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দেশকে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল এবং বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছিল।
তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং তাঁর নেতৃত্বে দেশে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ ২০০৭ সালের ১/১১-এর অঘোষিত সামরিক শাসনকে 'গণতন্ত্রের গভীর সংকট' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার রাজত্ব কায়েম করেছে।
তাঁর অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বিরোধী মতের ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, "গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি, জননেতা তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক নির্যাতন।" "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর ওপর চালানো হয়েছে ভয়াবহ নিপীড়ন, কারাবরণ, গুম ও খুনের মতো রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে 'আয়নাঘর' নামের এক গোপন নির্যাতন কেন্দ্র, যেখানে বিরোধী মতের মানুষদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে।"
মাসুদুজ্জামান মাসুদ দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছে, এই জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। তিনি জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।" নারায়ণগঞ্জবাসীকে তিনি এই শহরকে 'উন্নয়ন, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার শহর' হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
লোড হচ্ছে...