নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে লুট, গ্রেপ্তার ৫
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এক ব্যক্তিকে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে অজ্ঞান করে ৮৬ হাজার টাকা লুটের ঘটনায় আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে লুটের ঘটনায় ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা মহানগর পুলিশের যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে বন্দর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সুমন শরীফ (৪০), সাদ্দাম মিজি (৩২), মো. ইয়াসিন হোসেন ওরফে রবিউল (২৫), মো. রোকন গাজী (২৫) এবং সজিব মিয়া (২৫)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ডিসেম্বর বন্দর থানাধীন কল্যান্দী এলাকার বাসিন্দা দুলাল হোসেন (৫৩) ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য নগদ ৮৬ হাজার টাকা ও হিসাবের খাতা নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। ডাচ বাংলা ব্যাংক বন্দর শাখায় যাওয়ার পথে চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে অন্য পথে রওনা দেন। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে চালক ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর টাকা ও হিসাবের ব্যাগ লুট করে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় গত ১ জানুয়ারি দুলাল হোসেন বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণের পরপরই বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিনের দিকনির্দেশনায় দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।
বন্দর থানা ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) জানান, এই চক্রটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে কৌশলে যাত্রীদের অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করে আসছিল। মামলার পর আমরা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এক ব্যক্তিকে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে অজ্ঞান করে ৮৬ হাজার টাকা লুটের ঘটনায় আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে লুটের ঘটনায় ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা মহানগর পুলিশের যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে বন্দর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সুমন শরীফ (৪০), সাদ্দাম মিজি (৩২), মো. ইয়াসিন হোসেন ওরফে রবিউল (২৫), মো. রোকন গাজী (২৫) এবং সজিব মিয়া (২৫)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ডিসেম্বর বন্দর থানাধীন কল্যান্দী এলাকার বাসিন্দা দুলাল হোসেন (৫৩) ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য নগদ ৮৬ হাজার টাকা ও হিসাবের খাতা নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। ডাচ বাংলা ব্যাংক বন্দর শাখায় যাওয়ার পথে চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে অন্য পথে রওনা দেন। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে চালক ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর টাকা ও হিসাবের ব্যাগ লুট করে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় গত ১ জানুয়ারি দুলাল হোসেন বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণের পরপরই বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিনের দিকনির্দেশনায় দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।
বন্দর থানা ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) জানান, এই চক্রটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে কৌশলে যাত্রীদের অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করে আসছিল। মামলার পর আমরা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...