নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
এমপি মনোনয়ন দেওয়া হোক বা না হোক, জনসেবা অব্যাহত থাকবে: অধ্যাপক মামুন মাহমুদ
NewsView

"সবার জন্য স্বাস্থ্য, সার্বজনীন চিকিৎসা”—বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার এই গুরুত্বপূর্ণ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তার ধারাবাহিক জনসেবার অংশ হিসেবে সোনারগাঁওয়ে নবম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছেন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) দিনব্যাপী এই বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পটি সোনারগাঁয়ের ৪৪নং সনমান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এই ক্যাম্পে ১৮ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন এবং প্রায় তিন হাজার প্রান্তিক রোগীকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হয়। সেবাসমূহের মধ্যে ছিল—রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা বিতরণ, এবং ডায়াবেটিস ও ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা।
ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগতদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তার সেবামূলক কার্যক্রমের পেছনের অনুপ্রেরণা ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার মূল লক্ষ্যগুলোর একটি হলো স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, তিনি লক্ষ্য করেছেন যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীরা, সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
"বিশেষ করে আমাদের পুরুষেরা শহর কিংবা হাট বাজারে গিয়ে কিছুটা চিকিৎসা সেবা পায় কিন্তু নারীরা কিন্তু একেবারে বঞ্চিত হয়।... ৬০ বছরের যারা কোনোদিন ডাক্তারের কাছে যায়নি... তাই অনুভব করেছি যে এই গ্রামে এসে বড় বড় ডাক্তার... তাদের দিয়েই আমি এই প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে চাই।"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ একদিনের জন্য হলেও 'সবার জন্য চিকিৎসা, সার্বজনীন চিকিৎসা সেবা' পাচ্ছে।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জানান, এই ক্যাম্পগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রফেসররা রয়েছেন, যারা রোগ নির্ণয় ও পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের ওষুধেরও ব্যবস্থা করেছেন। চোখের সমস্যাগ্রস্তদের জন্য তিনি বিনামূল্যে চশমা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছেন।
তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, আজকের ক্যাম্পটি নিয়ে তিনি এ পর্যন্ত নয়টি ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় ২১ হাজার পরিবারকে চিকিৎসা সেবা দিতে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল থেকে এমপি মনোনয়ন দেওয়া হোক বা না হোক, জনসেবা অব্যাহত থাকবে। আমার কোনো ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নেই, বরং মানুষের সেবা করে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে চান। তিনি বলেন, "আমাকে দল থেকে এমপি মনোনয়ন দিল কি দিল না সেটা বিষয় নয়... যদি দল থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে এভাবেই আমি মানুষের জনসেবা করতে করতে আমার জীবনটা পার করে দেবো ইনশাল্লাহ।"
শেষে, তিনি দেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং সকলের কাছে দোয়া চান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণ যেন একটি কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং সেই গণতন্ত্র যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদ জন্ম না দেয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
এই ক্যাম্পে ১৮ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন এবং প্রায় তিন হাজার প্রান্তিক রোগীকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হয়। সেবাসমূহের মধ্যে ছিল—রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা বিতরণ, এবং ডায়াবেটিস ও ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা।
ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগতদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তার সেবামূলক কার্যক্রমের পেছনের অনুপ্রেরণা ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার মূল লক্ষ্যগুলোর একটি হলো স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, তিনি লক্ষ্য করেছেন যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীরা, সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
"বিশেষ করে আমাদের পুরুষেরা শহর কিংবা হাট বাজারে গিয়ে কিছুটা চিকিৎসা সেবা পায় কিন্তু নারীরা কিন্তু একেবারে বঞ্চিত হয়।... ৬০ বছরের যারা কোনোদিন ডাক্তারের কাছে যায়নি... তাই অনুভব করেছি যে এই গ্রামে এসে বড় বড় ডাক্তার... তাদের দিয়েই আমি এই প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে চাই।"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ একদিনের জন্য হলেও 'সবার জন্য চিকিৎসা, সার্বজনীন চিকিৎসা সেবা' পাচ্ছে।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জানান, এই ক্যাম্পগুলোতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রফেসররা রয়েছেন, যারা রোগ নির্ণয় ও পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের ওষুধেরও ব্যবস্থা করেছেন। চোখের সমস্যাগ্রস্তদের জন্য তিনি বিনামূল্যে চশমা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছেন।
তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, আজকের ক্যাম্পটি নিয়ে তিনি এ পর্যন্ত নয়টি ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় ২১ হাজার পরিবারকে চিকিৎসা সেবা দিতে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দল থেকে এমপি মনোনয়ন দেওয়া হোক বা না হোক, জনসেবা অব্যাহত থাকবে। আমার কোনো ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নেই, বরং মানুষের সেবা করে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে চান। তিনি বলেন, "আমাকে দল থেকে এমপি মনোনয়ন দিল কি দিল না সেটা বিষয় নয়... যদি দল থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে এভাবেই আমি মানুষের জনসেবা করতে করতে আমার জীবনটা পার করে দেবো ইনশাল্লাহ।"
শেষে, তিনি দেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং সকলের কাছে দোয়া চান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণ যেন একটি কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং সেই গণতন্ত্র যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদ জন্ম না দেয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...