আন্তর্জাতিক
ইরানে হামলার জন্য নিজেদের ভূমি ব্যবহার করতে দেবে না আমিরাত
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকির মুখে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা তাদের ভূখণ্ড, জলসীমা বা আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানের ওপর কোনো প্রকার সামরিক হামলা চালানোর অনুমতি দেবে না।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, তৃতীয় কোনো শক্তির মাধ্যমে ইরানে হামলার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত কোনো ধরনের লজিস্টিক বা কৌশলগত সমর্থনও প্রদান করবে না। আমিরাত মনে করে, চলমান সংকট মোকাবিলায় সংলাপ, উত্তেজনা হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাই দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘আর্মাডা’ ও আমিরাতের অবস্থান: গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী ‘আর্মাডা’ (নৌবহর) পারস্য উপসাগরের দিকে যাচ্ছে এবং ওয়াশিংটন ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। বিশেষ করে আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম থাকায় আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সোমবারের এই বিবৃতির মাধ্যমে আমিরাত মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘না’ বলে দিল।
ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং এরপর দেশটির ওপর মার্কিন চাপের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই অস্থিরতার সুযোগে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কায় সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো দেশগুলোও যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে।
আমিরাতের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, মিত্রদের এমন আপত্তির মুখে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে নতুন করে ভাবতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকির মুখে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা তাদের ভূখণ্ড, জলসীমা বা আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানের ওপর কোনো প্রকার সামরিক হামলা চালানোর অনুমতি দেবে না।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, তৃতীয় কোনো শক্তির মাধ্যমে ইরানে হামলার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত কোনো ধরনের লজিস্টিক বা কৌশলগত সমর্থনও প্রদান করবে না। আমিরাত মনে করে, চলমান সংকট মোকাবিলায় সংলাপ, উত্তেজনা হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাই দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘আর্মাডা’ ও আমিরাতের অবস্থান: গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী ‘আর্মাডা’ (নৌবহর) পারস্য উপসাগরের দিকে যাচ্ছে এবং ওয়াশিংটন ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। বিশেষ করে আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম থাকায় আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সোমবারের এই বিবৃতির মাধ্যমে আমিরাত মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘না’ বলে দিল।
ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং এরপর দেশটির ওপর মার্কিন চাপের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই অস্থিরতার সুযোগে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কায় সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো দেশগুলোও যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে।
আমিরাতের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, মিত্রদের এমন আপত্তির মুখে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে নতুন করে ভাবতে হবে।
লোড হচ্ছে...