জাতীয়
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করছে সরকার
NewsView5
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
ভূমিকম্প ও সুনামির মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতিমূলক ও ঝুঁকি হ্রাসমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও জরুরি সাড়া প্রদানের সক্ষমতা বাড়াতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও জাতীয় ভূমিকম্প প্রস্তুতি পরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, নিয়মিত মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া ভূমিকম্প ও সুনামি পর্যবেক্ষণ এবং দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভূমিকম্প-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুসরণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৮৯টিসহ মোট ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব আশ্রয়স্থল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় জরুরি সাড়া নিশ্চিত করতে সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডাটাবেজ তৈরির কাজও চলমান রয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও জরুরি সাড়া প্রদানের সক্ষমতা বাড়াতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও জাতীয় ভূমিকম্প প্রস্তুতি পরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, নিয়মিত মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া ভূমিকম্প ও সুনামি পর্যবেক্ষণ এবং দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভূমিকম্প-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুসরণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৮৯টিসহ মোট ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব আশ্রয়স্থল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় জরুরি সাড়া নিশ্চিত করতে সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডাটাবেজ তৈরির কাজও চলমান রয়েছে।
লোড হচ্ছে...