নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রেকর্ড যানবাহন পারাপার, টোল আদায় ১ কোটি ১৪ লাখ
NHP NewsView

নিউজভিউ
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মহাসড়কটির মেঘনা ও গোমতী সেতু টোল প্লাজা দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৫৩ হাজার ৮৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রকৌশল বিভাগ জানায়, একদিনেই এই সেতু দুটি থেকে মোট ১ কোটি ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৮৭১ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন হাজারো মানুষ। মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো যানজট বা ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শিমরাইল, সাইনবোর্ড ও কাঁচপুর পয়েন্টে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও যানবাহন চলাচল করছে স্বাভাবিক গতিতে। যাত্রী ও চালকরা জানিয়েছেন, মহাসড়কের ব্যবস্থাপনা ভালো থাকায় কোনো প্রকার ঝক্কি ছাড়াই তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) জুলহাস উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত ১২৪ জন পুলিশ সদস্য দিনরাত নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন। হাইওয়ে ও জেলা পুলিশের সমন্বিত তৎপরতায় মহাসড়ক এখন পর্যন্ত যানজটমুক্ত রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে পুলিশের এই বিশেষ নজরদারি ঈদের শেষ সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মহাসড়কটির মেঘনা ও গোমতী সেতু টোল প্লাজা দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ৫৩ হাজার ৮৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রকৌশল বিভাগ জানায়, একদিনেই এই সেতু দুটি থেকে মোট ১ কোটি ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৮৭১ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন হাজারো মানুষ। মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বাড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো যানজট বা ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শিমরাইল, সাইনবোর্ড ও কাঁচপুর পয়েন্টে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও যানবাহন চলাচল করছে স্বাভাবিক গতিতে। যাত্রী ও চালকরা জানিয়েছেন, মহাসড়কের ব্যবস্থাপনা ভালো থাকায় কোনো প্রকার ঝক্কি ছাড়াই তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) জুলহাস উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত ১২৪ জন পুলিশ সদস্য দিনরাত নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন। হাইওয়ে ও জেলা পুলিশের সমন্বিত তৎপরতায় মহাসড়ক এখন পর্যন্ত যানজটমুক্ত রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে পুলিশের এই বিশেষ নজরদারি ঈদের শেষ সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
লোড হচ্ছে...