নারায়ণগঞ্জসদর
মাতৃস্বাস্থ্যের জন্য জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে মা ও শিশু কেন্দ্রে ডায়াথার্মি মেশিন উপহার
NewsView

নারায়ণগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আবারও সিজারিয়ান সেকশন চালুর পথ সুগম হলো। অকেজো হয়ে পড়া Monopolar Diathermy মেশিনের পরিবর্তে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) দ্রুত উদ্যোগে নতুন মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেশিনটি হস্তান্তর করা হয়।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসে গড়ে ৩০টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৪ থেকে ৫টি সিজারিয়ান সেকশন হওয়া এই কেন্দ্রে ১৮ অক্টোবর থেকে মেশিনটি বিকল হয়ে যাওয়ায় সিজারিয়ান সেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে গর্ভবতী মায়েদের জরুরি প্রয়োজনে ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করতে হচ্ছিল।
মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডা. আফসানা জাহান আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমরা হতাশ ছিলাম, কারণ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বাজেটে নতুন মেশিন কেনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু ডিসি স্যার এত দ্রুত সাড়া দেবেন, তা আমরা ভাবিনি। তিনি দ্রুত সব পদক্ষেপ নিয়ে আজ আমাদের হাতে মেশিনটি তুলে দিয়েছেন।
উপপরিচালক শহিদুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের মানবিক দিক তুলে ধরে বলেন, বাজেট স্বল্পতার কারণে আবেদন করেও কেন্দ্রীয়ভাবে সাড়া মেলেনি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও ডিসি স্যার গর্ভবতী মায়েদের জন্য জরুরি ১ লাখ আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট সংকটের সময় সহায়তা করেছিলেন।
মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা মাতৃস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন, আমরা বিশ্বাস করি, মায়ের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে সন্তানের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে না। তাই মাতৃস্বাস্থ্যের প্রতি সবসময় বিশেষ গুরুত্ব দিই; ভবিষ্যতেও দেব।
তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান, মায়েদের অনেকেই অসহায় ও অশিক্ষিত। তাদের প্রতি আন্তরিকতা দেখিয়ে কাজ করবেন, যেন তাদের স্বাস্থ্যসেবা কোনোভাবেই ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে।" জেলা প্রশাসক দ্রুতই কেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী গ্লুকোমিটার ও রক্তচাপ মেশিনও সরবরাহের আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর হোসাইন ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি চোখে পড়ে, যা জনস্বাস্থ্য ইস্যুতে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক সংহতির বার্তা দেয়। উপস্থিত ছিলেন— বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ প্রমুখ।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসে গড়ে ৩০টি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৪ থেকে ৫টি সিজারিয়ান সেকশন হওয়া এই কেন্দ্রে ১৮ অক্টোবর থেকে মেশিনটি বিকল হয়ে যাওয়ায় সিজারিয়ান সেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফলে গর্ভবতী মায়েদের জরুরি প্রয়োজনে ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করতে হচ্ছিল।
মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডা. আফসানা জাহান আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমরা হতাশ ছিলাম, কারণ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বাজেটে নতুন মেশিন কেনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু ডিসি স্যার এত দ্রুত সাড়া দেবেন, তা আমরা ভাবিনি। তিনি দ্রুত সব পদক্ষেপ নিয়ে আজ আমাদের হাতে মেশিনটি তুলে দিয়েছেন।
উপপরিচালক শহিদুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের মানবিক দিক তুলে ধরে বলেন, বাজেট স্বল্পতার কারণে আবেদন করেও কেন্দ্রীয়ভাবে সাড়া মেলেনি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও ডিসি স্যার গর্ভবতী মায়েদের জন্য জরুরি ১ লাখ আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট সংকটের সময় সহায়তা করেছিলেন।
মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা মাতৃস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন, আমরা বিশ্বাস করি, মায়ের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে সন্তানের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে না। তাই মাতৃস্বাস্থ্যের প্রতি সবসময় বিশেষ গুরুত্ব দিই; ভবিষ্যতেও দেব।
তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান, মায়েদের অনেকেই অসহায় ও অশিক্ষিত। তাদের প্রতি আন্তরিকতা দেখিয়ে কাজ করবেন, যেন তাদের স্বাস্থ্যসেবা কোনোভাবেই ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে।" জেলা প্রশাসক দ্রুতই কেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী গ্লুকোমিটার ও রক্তচাপ মেশিনও সরবরাহের আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর হোসাইন ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি চোখে পড়ে, যা জনস্বাস্থ্য ইস্যুতে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক সংহতির বার্তা দেয়। উপস্থিত ছিলেন— বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ প্রমুখ।
লোড হচ্ছে...