নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ভোটের মাঠে ২ সহস্রাধিক পুলিশ, থাকবে ‘বডি অন ক্যামেরা’
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা জুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ নির্বাচনী ব্রিফিং প্যারেডে তিনি জানান, এবার ভোটের ময়দানে জেলা পুলিশের ২ হাজার ১৯৬ জন সদস্য সরাসরি দায়িত্ব পালন করবেন। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
নির্বাচনী মাঠের রণকৌশল তুলে ধরে পুলিশ সুপার জানান, জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মোট ৭৯৭টি ভোটকেন্দ্রকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। সাধারণ নিরাপত্তার পাশাপাশি ৮১টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৪টি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং ১১টি স্ট্যান্ডবাই পার্টি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাতটি থানা এলাকায় মাঠ পর্যায়ের তদারকির দায়িত্বে থাকবেন ৬ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ১ জন সহকারী পুলিশ সুপার।
প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। বিশেষ করে জেলার গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ৪৫১টি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকে ‘বডি অন ক্যামেরা’ যুক্ত থাকবে। এর ফলে কেন্দ্রগুলোর প্রতিটি মুহূর্তের কার্যক্রম সরাসরি মনিটর করা সম্ভব হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না।
নারায়ণগঞ্জের বর্তমান শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে এখন পর্যন্ত জেলায় কোনো বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে আসতে পারেন, সেই পরিবেশ বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” ব্রিফিং প্যারেডে জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ডিএমপি ও এপিবিএন থেকে আসা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা জুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ নির্বাচনী ব্রিফিং প্যারেডে তিনি জানান, এবার ভোটের ময়দানে জেলা পুলিশের ২ হাজার ১৯৬ জন সদস্য সরাসরি দায়িত্ব পালন করবেন। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
নির্বাচনী মাঠের রণকৌশল তুলে ধরে পুলিশ সুপার জানান, জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মোট ৭৯৭টি ভোটকেন্দ্রকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। সাধারণ নিরাপত্তার পাশাপাশি ৮১টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৪টি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং ১১টি স্ট্যান্ডবাই পার্টি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাতটি থানা এলাকায় মাঠ পর্যায়ের তদারকির দায়িত্বে থাকবেন ৬ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ১ জন সহকারী পুলিশ সুপার।
প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। বিশেষ করে জেলার গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ৪৫১টি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকে ‘বডি অন ক্যামেরা’ যুক্ত থাকবে। এর ফলে কেন্দ্রগুলোর প্রতিটি মুহূর্তের কার্যক্রম সরাসরি মনিটর করা সম্ভব হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না।
নারায়ণগঞ্জের বর্তমান শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে এখন পর্যন্ত জেলায় কোনো বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে আসতে পারেন, সেই পরিবেশ বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” ব্রিফিং প্যারেডে জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ডিএমপি ও এপিবিএন থেকে আসা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...