নারায়ণগঞ্জ
হামে আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের সমাবেশ
NewsView5

নিউজভিউ
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আজ সকাল ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ ২ নং রেল গেইটের সামনে হাম এবং রুবেলায় আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা, সরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয় টিকা নিশ্চিতের দাবিতে প্রতিবাদী সমাবেশ করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সদস্য রোকন আহাম্মেদ, সরকারি কদম রসুল কলেজ শাখার সংগঠক আহাম্মেদ রবিন স্বপ্ন, নারায়ণগঞ্জ কলেজের সংগঠক হাসিমিন নিসা শিফা ও প্রভাতী আক্তার।
নেতৃবৃন্দ বলেন, চোখের সামনে শিশুর মৃত্যু, পাষাণের চোখেও জল এনে দেয়। বলা হয়, পৃথিবীতে সবচেয়ে ভারী কী? পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ। গর্ভধারিণী মায়ের চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু। মা যখন অসহায়ের মতো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেন সন্তানের মৃত্যু যন্ত্রণা, তখন তার বুকফাটা যন্ত্রণাকে প্রকাশ করতে পারে এমন কোনো ভাষা নেই। কান্না তখন তার একমাত্র প্রকাশ। আর অসহায় মায়ের চোখের জল শুকায় না।
আরও বলেন, করোনার পর বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত দরিদ্র পিতারা এখন সেই ভারী লাশ বহন করছেন আর মায়েরা ঝরাচ্ছেন চোখের জল। হামের কারণে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ইতিমধ্যে ৪০০ জন ছাড়িয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে হাম মহামারী বললে ভুল হবে না। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।
সমাবেশে বলা হয়, হাসপাতালে শয্যাসংকটের কারণে অনেককেই মেঝেতেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। যে প্রশ্ন এখন তাড়িত করে তা হলো, এই মহামারী এবং শিশুমৃত্যু কি অনিবার্য ছিল? এর যন্ত্রণা ও বেদনা ভোগ করছে শিশু ও তাদের বাবা-মায়েরা, কিন্তু এর দায় কে নেবে?
আরও বলা হয়, হাম এমন একটি রোগ, যা নির্মূল করা সম্ভব। কিন্তু আমরা দেখছি সেই হামে শত শত শিশু আজকে মারা যাচ্ছে শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার কারণে। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর টিকা সংগ্রহ ব্যবস্থায় ঘটে গেল এক বিপর্যয়। এর ফলে দেশব্যাপী টিকার সংকট দেখা দেয় এবং টিকাদানের হার নাটকীয়ভাবে কমে যায়। শুধু হামের কারণে নয়, রোগটি ছড়িয়ে পড়ার পর শিশুদের উচ্চ অপুষ্টি এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা মৃত্যুর সংখ্যাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। মৃত্যুর এই দুঃখজনক ঘটনা প্রমাণ করে, দারিদ্র্য এবং অপুষ্টি হাত ধরে চলে এবং এর কারণে জনস্বাস্থ্যের অগ্রগতি কত দ্রুত ধ্বংস হতে পারে। যেকোনো রোগেই চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই বাংলাদেশে সাধারণত শিশুদের ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হতো। এ ছাড়া প্রতি চার বছর অন্তর দেশব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানো হয়ে থাকে, যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে এবং ৯৫ শতাংশ কভারেজ নিশ্চিত করা যায়। হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে এটা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সেটিও ইউনুস সরকারসহ বর্তমান সরকার কেউই নিশ্চিত করতে পারেন নাই।
নেতৃবৃন্দ শেষে বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা শুধু মাত্র দান-অনুদানের ওপর নির্ভর করে আছে। নিজস্ব, ভূমিকা, সতর্কতা ও প্রস্তুতি কোনটাই নেই। তাই অবিলম্বে হাম ও রুবেলায় আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা ও সরকারি উদ্যোগে টিকা সরবরাহ করার আহ্বান জানানো হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সদস্য রোকন আহাম্মেদ, সরকারি কদম রসুল কলেজ শাখার সংগঠক আহাম্মেদ রবিন স্বপ্ন, নারায়ণগঞ্জ কলেজের সংগঠক হাসিমিন নিসা শিফা ও প্রভাতী আক্তার।
নেতৃবৃন্দ বলেন, চোখের সামনে শিশুর মৃত্যু, পাষাণের চোখেও জল এনে দেয়। বলা হয়, পৃথিবীতে সবচেয়ে ভারী কী? পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ। গর্ভধারিণী মায়ের চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু। মা যখন অসহায়ের মতো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেন সন্তানের মৃত্যু যন্ত্রণা, তখন তার বুকফাটা যন্ত্রণাকে প্রকাশ করতে পারে এমন কোনো ভাষা নেই। কান্না তখন তার একমাত্র প্রকাশ। আর অসহায় মায়ের চোখের জল শুকায় না।
আরও বলেন, করোনার পর বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত দরিদ্র পিতারা এখন সেই ভারী লাশ বহন করছেন আর মায়েরা ঝরাচ্ছেন চোখের জল। হামের কারণে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ইতিমধ্যে ৪০০ জন ছাড়িয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে হাম মহামারী বললে ভুল হবে না। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।
সমাবেশে বলা হয়, হাসপাতালে শয্যাসংকটের কারণে অনেককেই মেঝেতেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। যে প্রশ্ন এখন তাড়িত করে তা হলো, এই মহামারী এবং শিশুমৃত্যু কি অনিবার্য ছিল? এর যন্ত্রণা ও বেদনা ভোগ করছে শিশু ও তাদের বাবা-মায়েরা, কিন্তু এর দায় কে নেবে?
আরও বলা হয়, হাম এমন একটি রোগ, যা নির্মূল করা সম্ভব। কিন্তু আমরা দেখছি সেই হামে শত শত শিশু আজকে মারা যাচ্ছে শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার কারণে। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর টিকা সংগ্রহ ব্যবস্থায় ঘটে গেল এক বিপর্যয়। এর ফলে দেশব্যাপী টিকার সংকট দেখা দেয় এবং টিকাদানের হার নাটকীয়ভাবে কমে যায়। শুধু হামের কারণে নয়, রোগটি ছড়িয়ে পড়ার পর শিশুদের উচ্চ অপুষ্টি এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা মৃত্যুর সংখ্যাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। মৃত্যুর এই দুঃখজনক ঘটনা প্রমাণ করে, দারিদ্র্য এবং অপুষ্টি হাত ধরে চলে এবং এর কারণে জনস্বাস্থ্যের অগ্রগতি কত দ্রুত ধ্বংস হতে পারে। যেকোনো রোগেই চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই বাংলাদেশে সাধারণত শিশুদের ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হতো। এ ছাড়া প্রতি চার বছর অন্তর দেশব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানো হয়ে থাকে, যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে এবং ৯৫ শতাংশ কভারেজ নিশ্চিত করা যায়। হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে এটা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সেটিও ইউনুস সরকারসহ বর্তমান সরকার কেউই নিশ্চিত করতে পারেন নাই।
নেতৃবৃন্দ শেষে বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা শুধু মাত্র দান-অনুদানের ওপর নির্ভর করে আছে। নিজস্ব, ভূমিকা, সতর্কতা ও প্রস্তুতি কোনটাই নেই। তাই অবিলম্বে হাম ও রুবেলায় আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা ও সরকারি উদ্যোগে টিকা সরবরাহ করার আহ্বান জানানো হয়।
লোড হচ্ছে...