নারায়ণগঞ্জ
এনসিপি নেতা শওকত আলীর বিস্ফোরক স্ট্যাটাস
NewsView

নিউজ ভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় হামলা ও হত্যার অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলার আসামি এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান-এর প্রকাশ্যে ‘অফিস করা ও ব্যবসা পরিচালনার’ বিষয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক শওকত আলী।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত থাকলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না, কারণ বিএনপির একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী সেলিম ওসমানকে আশ্রয় দিচ্ছেন। তিনি এই তথ্যকে নারায়ণগঞ্জের 'ওপেন সিক্রেট' বলে উল্লেখ করেন।
এনসিপি নেতা শওকত আলী (যিনি একসময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন) বিএনপি প্রার্থীর নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও লেখেন, “সেলিম ওসমান অফিস করে,ব্যবসা চালায়। প্রশাসন জানে, কিন্তু ব্যবস্থা নেয় না। কারন বিএনপির এমপি প্রার্থী শেল্টার দেয়। এইগুলা নারায়ণগঞ্জ এর ওপেন সিক্রেট।
এদিকে বিএনপির সেই এমপি প্রার্থীর প্রক্সি হিসেবে আবার আরেক দল কাজ করতেসে,পুরো দল মিলে তার প্রচারণার আইডিয়া সাজায় দেয়!
এরসাথে আছে কিছু সাংবাদিক। নারায়ণগঞ্জ এর কোর্ট পাড়ায় বিএনপির বড় উকিলেরা জামিন করায় লিগের লোকজনের।
রুমিন ফারহানার মতো লোক ও আসছিল বৈষম্যবিরোধী মামলায় লিগের একজন কে জামিন করাইতে। লিগের সন্ত্রাসীরা এখন প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করে।
জানি এইগুলা বললে এখন আমার বিরুদ্ধে শুরু হবে অনলাইন অফলাইনে আক্রমণ। তবু লিখলাম,চুপ করে আর কত!
এখন কেউ আইসা এমপি প্রার্থীর নাম বলতে বলবেন না,সবাই ই জানে। এইগুলা ওপেন সিক্রেট। যতটুকু লিখসি এতেই অনেকের চক্ষুশূল হয়ে গেছি।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় হামলা ও হত্যার অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলার আসামি এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান-এর প্রকাশ্যে ‘অফিস করা ও ব্যবসা পরিচালনার’ বিষয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক শওকত আলী।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত থাকলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না, কারণ বিএনপির একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী সেলিম ওসমানকে আশ্রয় দিচ্ছেন। তিনি এই তথ্যকে নারায়ণগঞ্জের 'ওপেন সিক্রেট' বলে উল্লেখ করেন।
এনসিপি নেতা শওকত আলী (যিনি একসময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন) বিএনপি প্রার্থীর নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও লেখেন, “সেলিম ওসমান অফিস করে,ব্যবসা চালায়। প্রশাসন জানে, কিন্তু ব্যবস্থা নেয় না। কারন বিএনপির এমপি প্রার্থী শেল্টার দেয়। এইগুলা নারায়ণগঞ্জ এর ওপেন সিক্রেট।
এদিকে বিএনপির সেই এমপি প্রার্থীর প্রক্সি হিসেবে আবার আরেক দল কাজ করতেসে,পুরো দল মিলে তার প্রচারণার আইডিয়া সাজায় দেয়!
এরসাথে আছে কিছু সাংবাদিক। নারায়ণগঞ্জ এর কোর্ট পাড়ায় বিএনপির বড় উকিলেরা জামিন করায় লিগের লোকজনের।
রুমিন ফারহানার মতো লোক ও আসছিল বৈষম্যবিরোধী মামলায় লিগের একজন কে জামিন করাইতে। লিগের সন্ত্রাসীরা এখন প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করে।
জানি এইগুলা বললে এখন আমার বিরুদ্ধে শুরু হবে অনলাইন অফলাইনে আক্রমণ। তবু লিখলাম,চুপ করে আর কত!
এখন কেউ আইসা এমপি প্রার্থীর নাম বলতে বলবেন না,সবাই ই জানে। এইগুলা ওপেন সিক্রেট। যতটুকু লিখসি এতেই অনেকের চক্ষুশূল হয়ে গেছি।”
লোড হচ্ছে...