জাতীয়
খাসির কথা বলে শিয়ালের মাংস বিক্রি, পালিয়েছে কসাই
NewsView

নিউজভিউ
পাবনার চাটমোহর উপজেলায় খাসির মাংসের নামে শিয়ালের মাংস বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন আশরাফুল ইসলাম নামের এক কসাই। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার হরিপুর বাজারে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত কসাই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন।
অভিযুক্ত আশরাফুল হরিপুর আফজালপাড়া গ্রামের আশু কসাইয়ের ছেলে। বুধবার বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুল নিজের বাড়ির পাশে শিয়াল ধরার জন্য একটি বিশেষ ফাঁদ পেতেছিলেন। সেই ফাঁদে একটি শিয়াল ধরা পড়লে তিনি সেটি জবাই করেন এবং কৌশলে হরিপুর বাজারে নিয়ে গিয়ে খাসির মাংস হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করেন। তবে মাংসের রঙ স্বাভাবিক খাসির তুলনায় অতিরিক্ত লাল হওয়ায় ক্রেতাদের মনে সন্দেহ জাগে। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে জেরা শুরু করলে এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে এটি খাসি নয়, বরং শিয়ালের মাংস। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তিনি কৌশলে বাজার থেকে পালিয়ে যান।
চাটমোহর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম সরওয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্ত কসাই সটকে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার সরকার নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছি যে মাংসগুলো শিয়ালের। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সেই মাংস উদ্ধার করে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।”
এলাকাবাসী জানান, খাসির মাংসের আড়ালে এ ধরনের অনৈতিক কাজ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। তারা অবিলম্বে পলাতক কসাই আশরাফুলকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পাবনার চাটমোহর উপজেলায় খাসির মাংসের নামে শিয়ালের মাংস বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন আশরাফুল ইসলাম নামের এক কসাই। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার হরিপুর বাজারে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত কসাই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন।
অভিযুক্ত আশরাফুল হরিপুর আফজালপাড়া গ্রামের আশু কসাইয়ের ছেলে। বুধবার বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুল নিজের বাড়ির পাশে শিয়াল ধরার জন্য একটি বিশেষ ফাঁদ পেতেছিলেন। সেই ফাঁদে একটি শিয়াল ধরা পড়লে তিনি সেটি জবাই করেন এবং কৌশলে হরিপুর বাজারে নিয়ে গিয়ে খাসির মাংস হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করেন। তবে মাংসের রঙ স্বাভাবিক খাসির তুলনায় অতিরিক্ত লাল হওয়ায় ক্রেতাদের মনে সন্দেহ জাগে। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে জেরা শুরু করলে এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে এটি খাসি নয়, বরং শিয়ালের মাংস। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তিনি কৌশলে বাজার থেকে পালিয়ে যান।
চাটমোহর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম সরওয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্ত কসাই সটকে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার সরকার নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছি যে মাংসগুলো শিয়ালের। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সেই মাংস উদ্ধার করে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।”
এলাকাবাসী জানান, খাসির মাংসের আড়ালে এ ধরনের অনৈতিক কাজ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। তারা অবিলম্বে পলাতক কসাই আশরাফুলকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...