সারা দেশ
বকেয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা
কোরবানির চামড়া কিনতে প্রস্তুত নাটোরের ব্যবসায়ীরা
NewsView6

লবণ দেওয়ার জন্য স্তুপ করে রাখা চামড়া
নিউজভিউ ডেস্ক
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার আড়ত নাটোরে অবস্থিত। কোরবানির পশুর চামড়া কিনতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে হঠাৎ করে লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে অনিশ্চয়তা ও হতাশায় দিন কাটছে ব্যবসায়ীদের।
ঈদের দিন বিকেল থেকে আশপাশের উপজেলা থেকে আসতে শুরু করে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া। এরপর আড়তগুলো চলে চামড়া লবণজাতের প্রক্রিয়া। এ কাজের সঙ্গে শত শত যুবক সরাসরি সম্পৃক্ত।
হঠাৎ লবণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ৭০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকায়। প্রতি কেজির দাম দাড়ায় ১৫ টাকা। গত বছর প্রতি বস্তা লবণের দাম ছিল ৯০০ টাকা। এবছর কেজি প্রতি ৩ টাকা ও বস্তায় বেড়েছে ২৫০ টাকা।
একটি ৫ মণের ষাড় গরুর সাধারণত চামড়া হয় ২২ বগর্ফিট। আড়ত ব্যবসায়ীরা এই কাঁচা চামড়া ৪০ টাকা বর্গর্ফিট দরে ক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। প্রতি পিস চামড়া সংরক্ষণে লবণ প্রয়োজন হয় ১০ থেকে ১২ কেজি। আর প্রতি পিস চামড়া ঢাকায় পৌঁছাতে পরিবহন ও শ্রমিকের খরচ হয় ৫০ টাকা। ২২ ফিটের একটি চামড়ায় লবণজাত, পরিবহন, শ্রমিক খরচ মিলে ঢাকায় পৌঁছাতে খরচ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকা।
জানা গেছে, চলতি ঈদ মৌসুমে বৃহত্তম এই আড়তে ১১ লাখ থেকে ১২ লাখ পিস কোরবানির চামড়া বেচাকেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মূল্য আনুমানিক প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা। নাটোরের ৬০-৭০টি আড়তে চামড়া বেচাকেনা হয়। এবার গরু-মহিষ মিলে ৪ থেকে ৫ লাখ পিস চামড়া কেনাবেচা হবে। খাসি-ভেড়া মিলে ৭ থেকে ৮ লাখ পিস লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার বাহিরে প্রতি বগর্ফিট গরুর চামড়া ৫৭-৬২ টাকা, খাসি ২০-২৫ টাকা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
আড়ত ব্যবসায়ীরা জানান, চামড়া সংরক্ষণে প্রধান উপকরণই হচ্ছে লবণ। হঠাৎ লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন তারা। লবণের দাম কমিয়ে আনা না হলে চামড়া সংরক্ষণে খরচ বেড়ে যাবে। ফলে চামড়া কিনে লোকসানে পড়তে হবে তাদের। অন্যদিকে, ছাগলের চামড়া পাচার হওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। চামড়া পাচাররোধ ও লবণের দাম কমাতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, ‘এবছর চামড়া কেনা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঢাকার ট্যানাড়ি মালিকদের কাছে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। টাকা না পেয়ে চামড়া কেনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। নতুন করে লবণের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় লবণ কিনতে পারছেন না। সরকারের কাছে জোর দাবি চামড়া ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে লবণের দাম শিথিল করা উচিৎ।
নাটোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম উদ্দীন জানান, জেলায় ১২টি স্থায়ী ও ১৪ টি অস্থায়ী হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা হবে। এ বছর জেলায় ২০ হাজার ৩৭৪ খামারে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩৭টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। যার মধ্যে গরু একলাখ ১৮ হাজার ৫০৫টি, মহিষ ২ হাজার ৫২০ টি, ছাগল ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৭১টি, ভেড়া ৩৪ হাজার ৩৮টি আছে৷ পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে ২ লাখ ৮২৬টি পশু।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার আড়ত নাটোরে অবস্থিত। কোরবানির পশুর চামড়া কিনতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে হঠাৎ করে লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে অনিশ্চয়তা ও হতাশায় দিন কাটছে ব্যবসায়ীদের।
ঈদের দিন বিকেল থেকে আশপাশের উপজেলা থেকে আসতে শুরু করে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া। এরপর আড়তগুলো চলে চামড়া লবণজাতের প্রক্রিয়া। এ কাজের সঙ্গে শত শত যুবক সরাসরি সম্পৃক্ত।
হঠাৎ লবণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ৭০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকায়। প্রতি কেজির দাম দাড়ায় ১৫ টাকা। গত বছর প্রতি বস্তা লবণের দাম ছিল ৯০০ টাকা। এবছর কেজি প্রতি ৩ টাকা ও বস্তায় বেড়েছে ২৫০ টাকা।
একটি ৫ মণের ষাড় গরুর সাধারণত চামড়া হয় ২২ বগর্ফিট। আড়ত ব্যবসায়ীরা এই কাঁচা চামড়া ৪০ টাকা বর্গর্ফিট দরে ক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। প্রতি পিস চামড়া সংরক্ষণে লবণ প্রয়োজন হয় ১০ থেকে ১২ কেজি। আর প্রতি পিস চামড়া ঢাকায় পৌঁছাতে পরিবহন ও শ্রমিকের খরচ হয় ৫০ টাকা। ২২ ফিটের একটি চামড়ায় লবণজাত, পরিবহন, শ্রমিক খরচ মিলে ঢাকায় পৌঁছাতে খরচ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকা।
জানা গেছে, চলতি ঈদ মৌসুমে বৃহত্তম এই আড়তে ১১ লাখ থেকে ১২ লাখ পিস কোরবানির চামড়া বেচাকেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মূল্য আনুমানিক প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা। নাটোরের ৬০-৭০টি আড়তে চামড়া বেচাকেনা হয়। এবার গরু-মহিষ মিলে ৪ থেকে ৫ লাখ পিস চামড়া কেনাবেচা হবে। খাসি-ভেড়া মিলে ৭ থেকে ৮ লাখ পিস লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার বাহিরে প্রতি বগর্ফিট গরুর চামড়া ৫৭-৬২ টাকা, খাসি ২০-২৫ টাকা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
আড়ত ব্যবসায়ীরা জানান, চামড়া সংরক্ষণে প্রধান উপকরণই হচ্ছে লবণ। হঠাৎ লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন তারা। লবণের দাম কমিয়ে আনা না হলে চামড়া সংরক্ষণে খরচ বেড়ে যাবে। ফলে চামড়া কিনে লোকসানে পড়তে হবে তাদের। অন্যদিকে, ছাগলের চামড়া পাচার হওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। চামড়া পাচাররোধ ও লবণের দাম কমাতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, ‘এবছর চামড়া কেনা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঢাকার ট্যানাড়ি মালিকদের কাছে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। টাকা না পেয়ে চামড়া কেনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। নতুন করে লবণের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় লবণ কিনতে পারছেন না। সরকারের কাছে জোর দাবি চামড়া ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে লবণের দাম শিথিল করা উচিৎ।
নাটোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম উদ্দীন জানান, জেলায় ১২টি স্থায়ী ও ১৪ টি অস্থায়ী হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা হবে। এ বছর জেলায় ২০ হাজার ৩৭৪ খামারে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩৭টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। যার মধ্যে গরু একলাখ ১৮ হাজার ৫০৫টি, মহিষ ২ হাজার ৫২০ টি, ছাগল ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৭১টি, ভেড়া ৩৪ হাজার ৩৮টি আছে৷ পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে ২ লাখ ৮২৬টি পশু।
লোড হচ্ছে...