রাজনীতিবন্দর
নির্বাচনের পর শহর-বন্দরে চাঁদাবাজদের ঠাঁই হবে না: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, নির্বাচনের পর এই শহর ও বন্দর এলাকা থেকে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব চিরতরে নির্মূল করা হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শহর ও বন্দর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “আগামী ১২ তারিখের পর শহর ও বন্দরে আর কোনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও দখলদারের ঠাঁই হবে না। নারায়ণগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। দোকানদার, পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ী—কেউই এদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে যারা দিনের পর দিন জুলুম করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে ও পরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনাদের নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো প্রভাবশালী মহলের চাপের কাছে নতি স্বীকার করলে সাধারণ জনগণ তা মেনে নেবে না।”
গণসংযোগকালে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমি ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা করতে নয়, মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নির্বাচনে এসেছি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে শহর-বন্দরকে ভয় ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, নির্বাচনের পর এই শহর ও বন্দর এলাকা থেকে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব চিরতরে নির্মূল করা হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শহর ও বন্দর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “আগামী ১২ তারিখের পর শহর ও বন্দরে আর কোনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও দখলদারের ঠাঁই হবে না। নারায়ণগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। দোকানদার, পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ী—কেউই এদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে যারা দিনের পর দিন জুলুম করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে ও পরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনাদের নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো প্রভাবশালী মহলের চাপের কাছে নতি স্বীকার করলে সাধারণ জনগণ তা মেনে নেবে না।”
গণসংযোগকালে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমি ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা করতে নয়, মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নির্বাচনে এসেছি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে শহর-বন্দরকে ভয় ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
লোড হচ্ছে...