নারায়ণগঞ্জ
মধ্যরাতে ডিসি-এসপির শ্রদ্ধা
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল
NewsView

সামিতুল হাসান নিরাক
ফাল্গুনের এই লগ্নে আবারও ফিরে এলো সেই কালজয়ী দিন—২১শে ফেব্রুয়ারি। বাঙালির আত্মপরিচয় আর ভাষার মর্যাদা রক্ষার স্মারক অমর একুশকে বরণ করে নিতে পুরো জাতির সঙ্গে সামিল নারায়ণগঞ্জবাসী। ভাষা আন্দোলনের রক্তঝরা স্মৃতি ধারণ করা চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এখন বাঙালির শ্রদ্ধার অর্ঘ্য নিতে প্রস্তুত। নিছক কোনো স্থাপনা নয়, বরং আবেগ আর আলপনার ছোঁয়ায় এটি এখন হয়ে উঠেছে এক টুকরো বাংলাদেশ। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শহরজুড়ে বইছে একুশের আবহ, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি।’ রাত ১২টায় শুরু হয় শ্রদ্ধা জানানো।
এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হয় ধোয়া-মোছা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। তবে দুপুরের পর থেকেই দৃশ্যপট বদলে যেতে শুরু করে। নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতের ছোঁয়ায় স্পন্দিত হয় শহীদ মিনার চত্বর।
এই শৈল্পিক কর্মযজ্ঞে অংশ নেওয়া নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সজিব ঘোষ বলেন, আমাদের কাছে এই আলপনা কেবল সাধারণ কোনো নকশা নয়, এটি বীর শহীদদের প্রতি আমাদের শিল্পের অর্ঘ্য। সাদা আর কালোর ছোঁয়ায় আমরা শোক আর শুদ্ধতাকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি, আর লাল রঙে প্রকাশ করছি সেই রক্তভেজা ইতিহাসকে। প্রতি বছর আমরা এখানে আঁকতে আসি এক অনন্য দায়বদ্ধতা থেকে। আমরা চাই আমাদের আঁকা প্রতিটি রেখা যেন আগত প্রতিটি মানুষের মনে একুশের চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এরপরই শ্রদ্ধা জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী। এরপর ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মানুষের ঢল নামে জন্য শহীদ মিনারে।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য চাষাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ট্রাফিক রুট পরিকল্পনা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুশৃঙ্খলভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার ও স্কাউট সদস্যরাও কাজ করবেন।
ফাল্গুনের এই লগ্নে আবারও ফিরে এলো সেই কালজয়ী দিন—২১শে ফেব্রুয়ারি। বাঙালির আত্মপরিচয় আর ভাষার মর্যাদা রক্ষার স্মারক অমর একুশকে বরণ করে নিতে পুরো জাতির সঙ্গে সামিল নারায়ণগঞ্জবাসী। ভাষা আন্দোলনের রক্তঝরা স্মৃতি ধারণ করা চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এখন বাঙালির শ্রদ্ধার অর্ঘ্য নিতে প্রস্তুত। নিছক কোনো স্থাপনা নয়, বরং আবেগ আর আলপনার ছোঁয়ায় এটি এখন হয়ে উঠেছে এক টুকরো বাংলাদেশ। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শহরজুড়ে বইছে একুশের আবহ, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি।’ রাত ১২টায় শুরু হয় শ্রদ্ধা জানানো।
এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হয় ধোয়া-মোছা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। তবে দুপুরের পর থেকেই দৃশ্যপট বদলে যেতে শুরু করে। নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতের ছোঁয়ায় স্পন্দিত হয় শহীদ মিনার চত্বর।
এই শৈল্পিক কর্মযজ্ঞে অংশ নেওয়া নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সজিব ঘোষ বলেন, আমাদের কাছে এই আলপনা কেবল সাধারণ কোনো নকশা নয়, এটি বীর শহীদদের প্রতি আমাদের শিল্পের অর্ঘ্য। সাদা আর কালোর ছোঁয়ায় আমরা শোক আর শুদ্ধতাকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি, আর লাল রঙে প্রকাশ করছি সেই রক্তভেজা ইতিহাসকে। প্রতি বছর আমরা এখানে আঁকতে আসি এক অনন্য দায়বদ্ধতা থেকে। আমরা চাই আমাদের আঁকা প্রতিটি রেখা যেন আগত প্রতিটি মানুষের মনে একুশের চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এরপরই শ্রদ্ধা জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী। এরপর ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মানুষের ঢল নামে জন্য শহীদ মিনারে।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য চাষাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ট্রাফিক রুট পরিকল্পনা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুশৃঙ্খলভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার ও স্কাউট সদস্যরাও কাজ করবেন।
লোড হচ্ছে...