নারায়ণগঞ্জআড়াইহাজার
আড়াইহাজারে থানা ভাঙচুর মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে থানা ও নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলায় জেলা বিএনপির সাবেক নেতা আনোয়ার হোসেন অনুকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তবে খাগকান্দা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বিচারক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ।
তিনি জানান, গত ১৫ মে আড়াইহাজারে এক নারীর বাড়িতে হামলা ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় আনোয়ার হোসেন অনুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই আন্দোলনের সময় খাগকান্দা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া আরেক মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা খারিজ করে দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিকেলে আড়াইহাজার থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৩ আগস্ট থানার উপপরিদর্শক রিপন মৃধা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া ৬ আগস্ট খাগকান্দা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতেও হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাত ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে, চলতি বছরের ১৩ মে উপজেলার মুকুন্দি এলাকায় চাঁদা না পেয়ে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগে সীমা আক্তার নামে এক নারী মামলা করেন। ওই মামলায় আনোয়ার হোসেন অনু, তার স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।
এর দুই দিন পর, ১৫ মে ভোরে নিজ বাড়ি থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আনোয়ার হোসেন অনুকে আটক করে। পরে তাকে বাড়িতে হামলা এবং থানা হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রয়েছে। তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পরই তাকে থানা হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পারভীন আক্তার। তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় তারা থানায় হামলা ঠেকাতে এবং পুলিশ সদস্যদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তার স্বামীকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং কয়েকবার স্ট্রোক করেছেন। শারীরিকভাবে দুর্বল একজন মানুষকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র বলছে, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আড়াইহাজারের রাজনীতিতে পারভীন আক্তার ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম আজাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। সেই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরেই আনোয়ার হোসেন অনুকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।
যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি আলাউদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়, তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বিচারক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ।
তিনি জানান, গত ১৫ মে আড়াইহাজারে এক নারীর বাড়িতে হামলা ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় আনোয়ার হোসেন অনুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই আন্দোলনের সময় খাগকান্দা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া আরেক মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা খারিজ করে দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিকেলে আড়াইহাজার থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৩ আগস্ট থানার উপপরিদর্শক রিপন মৃধা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া ৬ আগস্ট খাগকান্দা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতেও হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাত ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে, চলতি বছরের ১৩ মে উপজেলার মুকুন্দি এলাকায় চাঁদা না পেয়ে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগে সীমা আক্তার নামে এক নারী মামলা করেন। ওই মামলায় আনোয়ার হোসেন অনু, তার স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।
এর দুই দিন পর, ১৫ মে ভোরে নিজ বাড়ি থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আনোয়ার হোসেন অনুকে আটক করে। পরে তাকে বাড়িতে হামলা এবং থানা হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রয়েছে। তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পরই তাকে থানা হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পারভীন আক্তার। তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় তারা থানায় হামলা ঠেকাতে এবং পুলিশ সদস্যদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তার স্বামীকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং কয়েকবার স্ট্রোক করেছেন। শারীরিকভাবে দুর্বল একজন মানুষকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র বলছে, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আড়াইহাজারের রাজনীতিতে পারভীন আক্তার ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম আজাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। সেই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরেই আনোয়ার হোসেন অনুকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।
যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি আলাউদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়, তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
লোড হচ্ছে...