জাতীয়
কাটেনি দুর্ঘটনার আতঙ্ক, ফেরিঘাট এলেই বাস থেকে নেমে যাচ্ছেন যাত্রীরা
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন শেষে প্রিয়জনদের ছেড়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে এবারের ফিরতি যাত্রায় আনন্দের চেয়েও অনেকের মনে জেঁকে বসেছে দুর্ঘটনার আতঙ্ক। গত বুধবার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার সেই মর্মান্তিক ঘটনা দেশজুড়ে সাধারণ যাত্রীদের মনে গভীর ভীতি ছড়িয়ে দিয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ঘরে ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, যশোর ও খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যেসব যাত্রী দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট হয়ে ঢাকায় ফিরছেন, তাদের চোখে-মুখে এখনো সেই আতঙ্ক স্পষ্ট।
কুষ্টিয়া থেকে ফেরা এক যাত্রী বলেন, “টিভি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেরিঘাটের সেই দুর্ঘটনা দেখে এখনো গা শিউরে উঠছে। ঘাটে বাস থামার সঙ্গে সঙ্গেই আমি বাস থেকে নেমে পড়ছি। মনে হচ্ছিল, যদি আমার বাসটিও একইভাবে নদীতে পড়ে যায়!” শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার স্বপন চন্দ্র দাশও নিশ্চিত করলেন একই চিত্র। তিনি জানান, ঘাটে পৌঁছানোর পর এখন কোনো যাত্রীই বাসের ভেতরে বসে থাকতে চাইছেন না, সবাই আগেভাগে ফেরিতে নেমে পড়ছেন।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকে আসা যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি। এলেঙ্গা, চন্দ্রা ও বাইপাইল পয়েন্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে রাজধানীমুখী শত শত যানবাহন। আহাদ পরিবহনের চালক শফিক জানান, এলেঙ্গা থেকে বাইপাইল আসতেই তাঁর প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লেগেছে।
ঈদের আনুষ্ঠানিক ছুটি শেষ হলেও শুক্র ও শনিবারের বাড়তি ছুটি কাটিয়ে আগামীকাল রোববার থেকে পুরোদমে অফিস-আদালত শুরু হচ্ছে। ফলে আজ গাবতলীসহ রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে মানুষের চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। যানজট আর দুর্ঘটনা ভীতি, এই দুই প্রতিকূলতাকে সঙ্গী করেই যান্ত্রিক জীবনে ফিরছে সাধারণ মানুষ।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন শেষে প্রিয়জনদের ছেড়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে এবারের ফিরতি যাত্রায় আনন্দের চেয়েও অনেকের মনে জেঁকে বসেছে দুর্ঘটনার আতঙ্ক। গত বুধবার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার সেই মর্মান্তিক ঘটনা দেশজুড়ে সাধারণ যাত্রীদের মনে গভীর ভীতি ছড়িয়ে দিয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ঘরে ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, যশোর ও খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যেসব যাত্রী দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট হয়ে ঢাকায় ফিরছেন, তাদের চোখে-মুখে এখনো সেই আতঙ্ক স্পষ্ট।
কুষ্টিয়া থেকে ফেরা এক যাত্রী বলেন, “টিভি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেরিঘাটের সেই দুর্ঘটনা দেখে এখনো গা শিউরে উঠছে। ঘাটে বাস থামার সঙ্গে সঙ্গেই আমি বাস থেকে নেমে পড়ছি। মনে হচ্ছিল, যদি আমার বাসটিও একইভাবে নদীতে পড়ে যায়!” শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার স্বপন চন্দ্র দাশও নিশ্চিত করলেন একই চিত্র। তিনি জানান, ঘাটে পৌঁছানোর পর এখন কোনো যাত্রীই বাসের ভেতরে বসে থাকতে চাইছেন না, সবাই আগেভাগে ফেরিতে নেমে পড়ছেন।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকে আসা যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি। এলেঙ্গা, চন্দ্রা ও বাইপাইল পয়েন্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে রাজধানীমুখী শত শত যানবাহন। আহাদ পরিবহনের চালক শফিক জানান, এলেঙ্গা থেকে বাইপাইল আসতেই তাঁর প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লেগেছে।
ঈদের আনুষ্ঠানিক ছুটি শেষ হলেও শুক্র ও শনিবারের বাড়তি ছুটি কাটিয়ে আগামীকাল রোববার থেকে পুরোদমে অফিস-আদালত শুরু হচ্ছে। ফলে আজ গাবতলীসহ রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে মানুষের চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। যানজট আর দুর্ঘটনা ভীতি, এই দুই প্রতিকূলতাকে সঙ্গী করেই যান্ত্রিক জীবনে ফিরছে সাধারণ মানুষ।
লোড হচ্ছে...