রাজনীতিবন্দর
নিউজভিউতে খবর প্রকাশের পর চার এমপি প্রার্থীকে জরিমানা
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চার সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রতিনিধিদের মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি নিউজভিউতে প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত একটি বিশেষ সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং এর পরই বুধবার এই বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫” লঙ্ঘনের দায়ে চার প্রার্থীর প্রতিনিধিকে সাজা প্রদান করা হয়েছে। তোরণ নির্মাণ করে ১৩ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালামের প্রতিনিধিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া যানবাহনে পোস্টার, লিফলেট ও স্টিকার লাগিয়ে ৭(গ) ধারা লঙ্ঘন করায় খেলাফতে মজলিসের দেয়াল ঘড়ি মার্কার প্রার্থী এ বি এম সিরাজুল মামুনের প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেনের প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা এবং ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ার মার্কার প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে সর্বমোট ৪৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সংশ্লিষ্ট সকল প্রার্থী তাদের দোষ স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনের ব্যাপারে পূর্ণ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিউজভিউ-এর মতো গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রশাসনকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চার সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রতিনিধিদের মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি নিউজভিউতে প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত একটি বিশেষ সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং এর পরই বুধবার এই বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫” লঙ্ঘনের দায়ে চার প্রার্থীর প্রতিনিধিকে সাজা প্রদান করা হয়েছে। তোরণ নির্মাণ করে ১৩ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালামের প্রতিনিধিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া যানবাহনে পোস্টার, লিফলেট ও স্টিকার লাগিয়ে ৭(গ) ধারা লঙ্ঘন করায় খেলাফতে মজলিসের দেয়াল ঘড়ি মার্কার প্রার্থী এ বি এম সিরাজুল মামুনের প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেনের প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা এবং ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ার মার্কার প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে সর্বমোট ৪৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সংশ্লিষ্ট সকল প্রার্থী তাদের দোষ স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনের ব্যাপারে পূর্ণ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিউজভিউ-এর মতো গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রশাসনকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
লোড হচ্ছে...