নারায়ণগঞ্জ
'ডেভিল হান্ট ফেইজ-২' অভিযানে নারায়ণগঞ্জে আরও ১৫ জন গ্রেপ্তার
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চিহ্নিত অপরাধীদের ধরতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ এর কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে গত ১৮ ডিসেম্বর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও একাধিক মামলার আসামী রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর মডেল থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে, তারা হলেন মো. আব্দুর নূর ভূইয়া, হাজী মো. হুমায়ুন ওরফে মুরাদ এবং মো. ইমরান। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন আব্দুস সালাম খন্দকার সেলিম, মিজানুর রহমান মিজান এবং মো. তাহের আলী। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. আমির হোসেন ও মো. মোক্তার হোসেন। বন্দর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে মো. নাজমুল ও মো. শাওনকে। রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে বাপ্পী সিকদার নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আড়াইহাজার থানা পুলিশের অভিযানে মো. শফিকুল ইসলাম, জাকারিয়া জাকির, মো. তৈয়বুর রহমান এবং মো. জালাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ১৫ জনকে ইতিমধ্যে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় এই সাড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের পাশাপাশি জেলায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে গত ১৮ ডিসেম্বর সাতটি চেকপোস্টের মাধ্যমে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দিনভর ৩২১টি গাড়ি এবং ৩৯১টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়। এই সময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস না থাকাসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন ভঙ্গের অভিযোগে ১৭টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে এবং ২৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে পুলিশের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও বিশেষ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চিহ্নিত অপরাধীদের ধরতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ এর কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে গত ১৮ ডিসেম্বর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও একাধিক মামলার আসামী রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর মডেল থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে, তারা হলেন মো. আব্দুর নূর ভূইয়া, হাজী মো. হুমায়ুন ওরফে মুরাদ এবং মো. ইমরান। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন আব্দুস সালাম খন্দকার সেলিম, মিজানুর রহমান মিজান এবং মো. তাহের আলী। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. আমির হোসেন ও মো. মোক্তার হোসেন। বন্দর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে মো. নাজমুল ও মো. শাওনকে। রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে বাপ্পী সিকদার নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আড়াইহাজার থানা পুলিশের অভিযানে মো. শফিকুল ইসলাম, জাকারিয়া জাকির, মো. তৈয়বুর রহমান এবং মো. জালাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ১৫ জনকে ইতিমধ্যে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় এই সাড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের পাশাপাশি জেলায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে গত ১৮ ডিসেম্বর সাতটি চেকপোস্টের মাধ্যমে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দিনভর ৩২১টি গাড়ি এবং ৩৯১টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়। এই সময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস না থাকাসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন ভঙ্গের অভিযোগে ১৭টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে এবং ২৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে পুলিশের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও বিশেষ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
লোড হচ্ছে...